নিজস্ব প্রতিবেদক:
যুক্তরাজ্যের লীডসে ‘বিলিভ ইন বিস্টন’: ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের শিক্ষাগত সাফল্য উদযাপন ও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা প্রদান সাউথ লিডসে আয়োজিত “বিলিভ ইন বিস্টন – সেলিব্রেটিং এডুকেশন” (Believe in Beeston – Celebrating Education) বা “বিস্টনের ওপর আস্থা – শিক্ষা উদযাপন” শীর্ষক অনুষ্ঠানে উদযাপন, স্বীকৃতি এবং অনুপ্রেরণামূলক এক স্মরণীয় সন্ধ্যা উপহার দিতে পেরে ISSE Ltd গর্বিত।
গত ৩ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার বিস্টনের ‘সাউথ লিডস বাংলাদেশি সেন্টার’-এ এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এতে তরুণ-তরুণী, পরিবার-পরিজন, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট অতিথিরা একত্রিত হয়ে ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের শিক্ষাগত সাফল্য উদযাপন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেন।
“নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা” (Inspiring the Next Generation) প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সন্ধ্যায় শিক্ষা ও সামাজিক জীবনে অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি জানানো হয়। পাশাপাশি, তরুণ ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি, বিভিন্ন সুযোগ গ্রহণ এবং এই বিশ্বাস লালন করতে উৎসাহিত করা হয় যে, তাদের পারিবারিক বা সামাজিক পটভূমি যেন কখনোই তাদের অর্জনের পথে কোনো বাধা বা সীমাবদ্ধতা হয়ে না দাঁড়ায়।
ISSE Ltd-এর তৌফিক ওয়াহাব, মো:কমর উদ্দিন, অধ্যাপক মুশফিক এবং হুমায়ুন ইসলাম (BEM, BCAc) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। শিক্ষা, সাফল্য, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সুযোগের বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে কমিউনিটিকে একত্রিত করার লক্ষ্য নিয়েই তাঁরা এই উদ্যোগটি গ্রহণ করেছিলেন।
উদযাপন অনুষ্ঠানে সম্মানিত সহকারী হাই কমিশনারের অংশগ্রহণ ম্যানচেস্টারে নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেনকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাগত জানাতে পেরে আয়োজকরা অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করেছেন।ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির সাফল্য, অবদান ও অগ্রগতির উদযাপনে তাঁর উপস্থিতি এই সন্ধ্যাটিকে বিশেষ তাৎপর্যমণ্ডিত করে তোলে।
সহকারী হাই কমিশনার সময় বের করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করায়, কমিউনিটির সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করায়, পুরস্কার ও সনদপ্রাপ্তদের স্বীকৃতি জানানোয় এবং শিক্ষা ও নতুন প্রজন্মের জন্য নিবেদিত এই আয়োজনকে সমর্থন করায় ISSE Ltd ও আয়োজক দল তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।
তাঁর উপস্থিতি ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐতিহ্য এবং ব্রিটেনে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের সুযোগ ও অর্জনের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকেও তুলে ধরেছে। সাফল্য ও সামাজিক অবদান উদযাপন সেই সন্ধ্যার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল শিক্ষা, সংস্কৃতি, সামাজিক জীবন এবং অন্যদের অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি জানানোর সুযোগ।
‘বিলিভ ইন বিস্টন – সেলিব্রেটিং এডুকেশন’ (Believe in Beeston – Celebrating Education) কর্মসূচির আওতায় এই স্বীকৃতিপত্রগুলো প্রদান করা হয়। শিক্ষার ক্ষেত্রে অবদান, ব্যক্তিগত সাফল্য ও নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এবং পরবর্তী প্রজন্মকে বিশ্বাস রাখতে, লক্ষ্য অর্জন করতে ও সফল হতে অনুপ্রাণিত করার জন্য তাঁদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
যাঁদের স্বীকৃতি জানানো হয়েছে তাঁরা হলেন: জনাব অমল পোদ্দার ড. এইচটিআর মুজাহিদী আলহাজ মো:গিয়াস উদ্দিন আলিয়া নেসা শামসুল গনি নজরুল ইসলামতৌফিক ওয়াহাব মো:কমর উদ্দিন স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রত্যেকেই এই সম্প্রদায়ের সাফল্য ও অগ্রগতির গল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি কেবল সনদপত্র হস্তান্তরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন সব মানুষকে উদযাপন করার একটি সুযোগ, যাঁদের জীবনযাত্রা, সাফল্য ও জনসেবামূলক কাজ অন্যদের—বিশেষ করে শিশু ও তরুণদের—জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।
