মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা সম্মান ভালোবাসা জানবেন, তৃণমূলের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে কিছু অপ্রিয় সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এই ছবির পিছনের গল্প কেবল অশ্রুনির্গত বোবাকান্না!
এই ছবিটি অনেক পুরনো চট্রগ্রাম জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে তোলা, ছবির পিছনে এই রুমে শাহাদাৎ বরণ করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর, যেটা তৎকালীন সময় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ নামে পরিচিত। সেখানে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ব্যবহারের অনেক মহা মূল্যবান জিনিসপত্র। তার ব্যবহারের পোষাক আশাক আসবাবপত্র দেখলে খুব সহজে উপলব্ধি করা যায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গভীর দেশপ্রেম, কতোটা স্বাভাবিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি! সেই অভিশপ্ত ভবনের দেয়ালে এখনো লেগে আছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেহ ভেদ করে বুলেটের গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত ক্ষতচিহ্ন।
চট্টগ্রাম যতবার গিয়েছি আমাকে দারুণ ভাবে এই ভবনটি সেখানে বারবার কাছে টেনে নিয়েছে। মনের অজান্তেই চোখ থেকে নির্গত হয় অশ্রুধারা, বোবাকান্নায় স্তব্ধ করে দেয় অনেক স্বপ্ন ভাবনা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অপরিসীম দেশপ্রেম নীতি আদর্শ গভীর ভাবে ধারণ করতে হলে, তাকে ভালো করে শিখতে হলে জানতে হলে বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের প্রত্যেক জেলা উপজেলার দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের জীবনে অন্তত একবার চট্টগ্রাম জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করা উচিত। আমাদের দূর্ভাগ্য অনেকই আজকে এমপি মন্ত্রী হয়েছেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ লাভজনক পদে দায়িত্ব লাভ করেছেন, অথচ জীবনে হয়তো একবারের জন্য সেখানে তাদের যাওয়া হয়নি, এটাই বিএনপির রাজনীতির বড় দৈন্যতা! শিক্ষা, সম্মান, ব্যক্তিত্ব মর্যাদা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা নেই! শুধু মাঠের শক্তি ত্যাগ এটাতো মূল্যায়নের মানদণ্ড হতে পারে না!
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার মতো অবশ্যই অবশ্যই দলের মাননীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর🇧🇩, জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্যের ত্যাগ যোগ্যতা আছে, (পুরুষ)। অখ্যাত কাউকে বিখ্যাত করে রাষ্ট্রপতির পদে দায়িত্ব দেওয়া হবে আত্মঘাতি হঠকারী সিদ্ধান্ত। যা ভবিষ্যতে দলকে চরম বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত করতে পারে।
তৃণমূলের অগণিত নেতাকর্মীর মতো আমারও ক্ষুদ্র সামান্য খুব ছোট্ট চাওয়া – – – সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজ, গুপ্ত দালাল, দর্ষণকারী মুক্ত হউক বিএনপি।
অবকাঠামো উন্নয়ন নিশ্চিত করারা পাশাপাশি, বিদ্যুৎ বিভ্রাট বন্ধে স্থায়ী প্রদক্ষেপ দেশ অনেক দুর এগিয়ে যাবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার অতি স্বাভাবিক জীবন যাপন, চিন্তা আচরণ দেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয় আকাঙ্খা প্রত্যাশাকে দারুন ভাবে স্পর্শ করছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিচার বিশ্লেষণে আপনাকে আরেকটু সাহসী হতে হবে। আপনি অবারিত করে দিয়েছেন সকলের বাক স্বাধীনতা, কিন্তুু এর অর্থ এই নয় সরকারের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করতে বেয়াদবি বা অপপ্রচার করবে। উদ্দেশ্য মুলক অপপ্রচারকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
শেখ মুজিবুর রহমান প্রায়ই বক্তব্যে আমার দেশ আমার দল বলতেন যা অনেকটা তাঁর দাম্ভিকতা অহমিকা অহংকারী হিসেবে তাকে দেখা যেত, শেখ হাসিনাও তাই করেছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর কিংবা দেশনেত্রী বেগম খালেদা বিভিন্ন প্রসঙ্গে বলতেন আমাদের দেশ আমাদের দল, এভাবে বলাটা ছিল দেশবাসী বা দলকে সম্মান দেখানো। আপনিও তাই করবেন আশা করছি।
বক্তব্য কিংবা আলোচনায় সমষ্টিগত বিষয়ে আমার জায়গায় আমাদের হলে দেশবাসী এবং দলের সম্মান মর্যাদা আরো বৃদ্ধি পায়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিনয়ের সাথে নিবেদন করছি,
ক্ষমতা কারো চিরস্থায়ী নয়, দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য সারা দেশব্যাপী যারা দর্ষনকারী হিসেবে চিহ্নিত নিন্দিত চরম ঘৃর্নিত তারা যেন ভবিষ্যতে বন্ধু না হয়। এমন ক্ষমতা দেশবাসী আর দেখতে চায় না, যেখানে ক্ষমতা হারালে জাতীয় মসজিদের শ্রদ্ধেয় খতিবকে আত্মগোপনে চলে যেতে হয়! উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মানবতা ন্যায়বিচার সাম্য শান্তি সামাজিক নিরাপত্তা গড়ে উঠুক সর্বত্র। সম্প্রীতি হউক জনে জনে এমন বাংলাদেশই সবার প্রত্যাশা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আপনার সরকার সফল হলে আলোকিত সমৃদ্ধ হবে প্রিয় বাংলাদেশ 🇧🇩, আপনার প্রতি অনেক অনেক শ্রদ্ধা ভালোবাসা, নিরন্তর শুভ কামনা।
বিএনপির তৃণমূলের একজন নগন্য কর্মী,
মোঃ নিজাম উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান
উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদ, ছাতক।
সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি।