• ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

আজ ছিলো আহমেদ ছফার জন্মদিন

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত জুলাই ১, ২০২১
আজ ছিলো আহমেদ ছফার জন্মদিন

একদিন হুমায়ুন আহমেদ দাঁড়িয়ে আছেন, দেখলেন আহমদ ছফা রিক্সায় করে যাচ্ছেন, শুকনা মুখ। হুমায়ুন আহমেদ জিজ্ঞেস করলেন, ছফা ভাই কী ব্যাপার?
আহমদ ছফা বললেন, না খেয়ে ঘুরতেছি সারাদিন থেকে!
-কেন?
-ক্ষুধা নিয়ে একটা গল্প লিখবো। তাই ক্ষুধা অনুভব করার জন্য সকাল থেকে না খেয়ে ঘুরতেছি।
এরপর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত না খেয়ে ঘুরলেন,রাত আটটায় অজ্ঞান হয়ে পরে গেলেন রিক্সা থেকে।

আহমদ ছফা একদিকে যেমন তেজস্বী অন্যদিকে এক কথার মানুষ ছিলেন। তা করবো তো করবো, করছি, করছি-ই! আহমদ ছফার তেজস্বী ভাব নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ বলেন-
”আনিস সাবেতের বোনের বিয়ে হবে কুমিল্লায়। ছফা ভাইকে নিয়ে আমি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলাম। রাত আটটার মতো বাজে। আমি, আনিস সাবেত আর ছফা ভাই গল্প করছি। গল্পের বিষয় বস্তু সাহিত্য। আনিস সাবেত ছফা ভাইয়ের উপন্যাস ‘সূর্য তুমি সাথী’র কোনো একটি বিষয়ের সমালোচনা করে কী যেন বললেন। ছফা ভাই গেলেন রেগে। কঠিন গলায় বললেন, ‘আনিস আপনি কথা উইথড্র করুন। উইথড্র না করলে আমি ঢাকায় চলে যাবো।’

আনিস সাবেত বললেন আপনি ইচ্ছে করলেও ঢাকা যেতে পারবেন না। সন্ধ্যা ছয়টার পর কুমিল্লা থেকে ঢাকায় কোনো বাস যায় না।
-আপনি কথা উইথড্র করবেন না?
-না
-আমি ঢাকায় রওনা হলাম।
ছফা ভাই লাফ দিয়ে উটে দাড়ালেন এবং হাঁটা শুরু করলেন।
আনিস সাবেত বললেন, ‘হুমায়ুন তুমি দুশ্চিন্তা করবে না। ছফা ভাই যাবেন কোথায়? বাস নেই, কিচ্ছু নেই।ছফা ভাইয়ের হাতে টাকাও নেই। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে আসবেন। তখন না হয় আমার কথা উইথড্র করবো।’
ছফা ভাই কিন্তু ফিরলেন না। সারা রাত হাঁটলেন। পরদিন দুপুরের কিছু পরে হেঁটেই ঢাকায় পৌঁছলেন।তার পা ফুলে গেল।গায়ে জ্বর এসে গেল।

এই ঘটনায় আনিস সাবেতের মন খুব খারাপ হয়ে গেল।ছফা ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলেন।
ছফা ভাই বললেন, ‘আমি আপনাকে আগেই ক্ষমা করে দিয়েছি। আপনাকে আমার কিছু ধন্যবাদও দেওয়া দরকার। সারা রাস্তা হাঁটতে হাঁটতে এসেছি তো, আমার মাথার মধ্যে একটা উপন্যাসের আইডিয়া এসেছে। রাগ করে কুমিল্লা থেকে হেঁটে না এলে এই আইডিয়া আসত না। আনিস আপনি আমার বিরাট উপকার করেছেন।
আমার যতদুর মনে আছে যে উপন্যাসের গল্প ছফা ভাইয়ের মাথায় এসেছিল তার নাম ‘ওঙ্কার’।

একবার খালেদা জিয়া আহমদ ছফাকে ফোন করে দাওয়াত করেছিলেন। তিনি বেগম জিয়াকে বলেছিলেন, যেতে পারি এক শর্তে। আমাকে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে হবে। শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে রান্না করে খাইয়েছিলেন। খালেদা জিয়ার রান্না করার সময়ও হয়নি, ছফা ও যেতে পারেননি।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছফা র আরেকবার ফোনালাপ হয়েছিল। উপলক্ষ ছিল এনজিও ব্যুরো থেকে ‘বাংলা-জার্মান সম্পীতি’র রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে। ছফা ই বেগম জিয়াকে ফোন করেছিলেন। ফোনটি ধরেছিলেন তাঁর পিএস। ছফা বিনয়ের সঙ্গে পিএসকে বলেছিলেন, ম্যাডামকে কি একটু দেয়া যাবে? আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাই।
পিএস সাহেব জানতে চাইলেন, আপনি কে?
ছফার জবাব, আমি আহমদ ছফা।
পিএস সাহেব ফের জানতে চাইলেন, কোন আহমদ ছফা?
পিএস-এর কথায় ছফা ভয়ানক রকম খেপে গিয়েছিলেন। তিনি রাগলে সচরাচর যে গালটি তাঁর মুখ দিয়ে বা’র হত সেটি বেরিয়ে গিয়েছিল। তারপর তিনি কোন রকম ভূমিকা না করে বললেন, বাংলাদেশে আহমদ ছফা দু’জন আছে নাকি?
ছফা কথা না বাড়িয়ে রিসিভারটি ধপাস করে রেখে দিয়েছিলেন। পিএস সাহেব ছফার এ অশোভন আচরণের কথা বেগম জিয়াকে জানিয়েছিলেন কিনা জানা যায়নি। কিছুক্ষণ পরে বেগম জিয়া ফোন করেছিলেন। ছফা র কথার ঝাল তখনও থেকে গিয়েছিল। ফোন পেয়ে তিনি বেগম জিয়াকে বিরক্ত কণ্ঠে বলেছিলেন, ম্যাডাম, কী সব অশিক্ষিত পিএস টিএস রাখেন আহমদ ছফার নাম জানে না। ছফা র কথায় বেগম জিয়া হেসে জবাব দিয়েছিলেন, আমি নিজে অশিক্ষিত; শিক্ষিত মানুষ পাব কোথায়। আপনারা কেউ তো এগিয়ে আসছেন না।

বাংলা একাডেমীর একুশে বইমেলায় কলকাতার বই আসত। আহমদ ছফা এর বিরোধীতায় নামেন। তার বিরোধীতার ফলে কলকাতার বই আসা বন্ধ হয়। ছফা কাজটা করেছিলেন দেশের লেখকদের কল্যানের জন্য কিন্তু এদশেরই লেখক শওকত ওসমান তাকে বাজে লোক বলে মন্তব্য করেন। ছফা তাকে নিয়ে নিউমার্কেটের বইয়ের দোকানে দোকানে নিয়ে যান।গিয়ে জিজ্ঞেস করেন শওকত ওসমানের কোন বই আছে কিনা। কেউ লেখক কেই চিনতে পারল না। তখন কলকাতার একজন সাধারন মানের লেখকের নাম বলতেই অনেকগুলো বই বের করে দিল। আহমদ ছফা তখন শওকত ওসমানকে জিজ্ঞেস করলেন,
“দেশটা আমরা বাল ছেঁড়ার জন্যে স্বাধীন করেছি?”

ড.আব্দুল হাই আহমদ ছফার নাম পাল্টাতে বলেন- ‘ছ’ ‘ট’ চলবে না ‘স’ দন্ত্যস দিয়ে লিখতে হবে।’ ছফা তাকে জবাবে বলেন- ‘স্যার, আমি সাত বোনের পরে একটা ছেলে, ভাই জন্মাইছি এবং জন্মের পরে আমার আঁকিকাতে সাতটা গরু জবাই করা হয়েছে। সুতরাং আপনার অপছন্দের জিনিস বলে এইটা কাটা যাবে না’

আহমদ ছফা যেমন প্রতিবাদী ছিলেন তেমনি মানবিকও ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ‌হুমায়ূন আহমেদ ও জাফর ইকবালের বাবা শহীদ হন। সে কারণে সরকার এই অসহায় পরিবারকে থাকার জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি বাড়ি বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পর হ‌ুমায়ূন আহমেদদের সেই বাড়ি সরকার নিয়ে নেয়। এ ঘটনা শুনে আহমদ ছফা ‌হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ান। ‌হুমায়ূন আহমেদদের বাড়ি সরকার নিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে আহমদ ছফা নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিতে চেয়েছিলেন। এ ছাড়া লেখক হিসেবে হুমায়ূন আহমেদকে প্রতিষ্ঠিত করতে আহমদ ছফার অবদান অনস্বীকার্য। মুহম্মদ জাফর ইকবাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন পড়াশোনা করছিলেন, তখন তাঁদের পরিবারে অর্থকষ্ট ছিল। সে সময় আহমদ ছফা মুহম্মদ জাফর ইকবালকে ‘গণকণ্ঠ’ পত্রিকা অফিসে কার্টুনিস্টের কাজ জুটিয়ে দিয়েছিলেন।

আহমদ ছফা ছিলেন স্পষ্টভাষী, কোনো আপস করতেন না কারো সাথেই। শেখ মুজিবর রহমান একবার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, রাষ্ট্রদূত হওয়ার জন্য। কিন্ত তিনি যখন বললেন, শর্ত আছে। তখন ছফা বলেছিলেন, শর্ত ছফার জন্য নয়, আপনি অন্য কাউকে দেখুন। এতে শেখ মুজিবর অত্যান্ত রুষ্ঠ হন। পরবর্তীতে তাকে অনুরোধ করেছিলেন, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা হওয়ার জন্য জন্য। আহমদ ছফা বলেছিলেন সম্ভব নয়। আমাকে ধারণ করার মতো শক্তি আপনার সরকার বা আপনার প্রশাসনের নেই।

আহমদ ছফার জীবনটা রহস্যের পরিপূর্ণ। তার মধ্যে একটা হলো বিয়ে না করে চিরকুমার থেকে সারা জীবন অতিক্রম করা। হুমায়ূন আহমেদ সহ কয়েকজন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন কেউ বিয়ে করবেন না। সবাই বিয়ে করেছিলো এক আহমদ ছফা ছাড়া।

উনি বিয়ে করলেন না কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে ছফা বলতেন- ‘আমি সহজেই নারীদের আকর্ষণ করতে পারি। বিয়ে করলে আকর্ষণ করার ক্ষমতা ফুরিয়ে যাবে। বিয়ে করলে তুমি একটা কারাগারে ঢুকলা। সম্পর্ক নির্মাণ করার যোগ্যতা আমার আছে, প্রতিবারই হতে নতুন সম্পর্ক। Not that old one because that old one can’t be only one.আসলে আমার জীবন অ্যালাও করেনি আমি একটা বিবাহিত জীবন যাপন করি। এটা হচ্ছে খুব সত্য যে আমি যে ধরনে বাঁচতে চাই, যে ধরনের জিনিস চাই তখন কোনো মহিলা হয়তো এসব করতে দিতে রাজি হতো না।
আমার মনে হয়না যে আমার যে সমস্ত বান্ধবী বা প্রেমিকা ওরা কিছু লালন করতো। আমার আকর্ষণ কে কেউ অস্বীকার করতে পারে নি কিন্তু আমার মূল্যবোধ এবং আমার কষ্ট সহিষ্ণুতা সেটাকে কেউ ধারন করতে পারে এমন মহিলা আমি এখানে দেখি নি। বিদেশি মহিলাদের মধ্যে একজন দুজন ছিল।’

আহমব ছফা শেখ মুজিবুর রহমান কে কখনো ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করতো না। ছফা বলতেন,-‘বঙ্গবন্ধু তারে আমি বলি না। বঙ্গবন্ধুর শব্দটার অর্থ হচ্ছে একটা খারাপ শব্দ। কারণ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে কংগ্রেস দেশবন্ধু আবিষ্কার করেছিল। চিত্তরঞ্জন
সেটা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আবিষ্কার হয়েছে। নকল করেছে দেশবন্ধুরে। কিন্তু এটা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ছিল না। এটা নতুন জাতি জাগরণের আন্দোলন। ‘

শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ না বলার কারনে তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন আহমদ ছফাকে মারতে গিয়েছিল কিন্তু আহমদ ছফা ছিল অটল তার কথায়। অথচ এই শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর খন্দকার মোস্তাকের মন্রীসভায় প্রতি মন্ত্রী হয়েছিলেন। এরপর তিনি হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। কিন্তু তাকে ১৯৯২ সালে দল থেকে বহিস্কার করে দেওয়া হয়। তারপর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। পরে আওয়ামীলীগ এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে যা খুশি তা বলেছেন এই শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন!

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর আহমদ ছফাই প্রথম কলাম লিখেছিলেন। আহমদ ছফা বলতেন-‘শেখ মুজিব কে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমি তিনটি লেখা লিখেছি,এর চাইতে ভালো লেখা আর কেউ লিখতে পারে নাই এইখানে। তবে ছফা প্রায়সময় বলতেন,’ শেখ মুজিব হলো তিন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’

ছফাকে নিয়ে সাহিত্যে সমালোচকদের মূল্যায়ন।
মুহম্মদ জাফর ইকবালের মতে, আহমদ ছফা ‘চুলের ডগা থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত একশ ভাগ খাঁটি সাহিত্যিক’। জাফর ইকবাল আরও লিখেছেন, ‘আমাদের বড় সৌভাগ্য তাঁর মতো একজন প্রতিভাবান মানুষের জন্ম হয়েছিল।’ জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের মতে, ‘ছফার রচনাবলি গুপ্তধনের খনি এবং তার সাহিত্যকর্ম স্বকীয় এক জগতের সৃষ্টি করে, যে জগতে যেকোনো পাঠক হারিয়ে যেতে পারে।’

বাংলা সাহিত্যে এ পর্যন্ত যত প্রাবন্ধিক, লেখক এবং সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছেন তন্মধ্যে আহমদ ছফাই সবচেয়ে সাহসী, বুদ্ধিমান, কুশলী, বহুমুখী, সাধারণ এবং তেজময়। নির্লোভ মননশীলতা এবং সত্যসমৃদ্ধ স্পষ্টবাদিতার জন্য তাঁকে ভয় পেতেন সে সময়ের সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবিরা।

আহমদ ছফার মতো একজন লেখক বাংলা একাডেমি পুরষ্কার পায়নি। এটা নিয়ে হুমায়ুন আহমেদ এর একটা ক্ষোভ ছিল। ছফার মৃত্যুর পর হুমায়ুন আহমেদ প্রথম আলোয় লিখেছিলেন-‘ দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে বাংলা একাডেমি কতজনকে পুরষ্কার দিয়েছে। কত অগা-মগা-বগা বাংলা একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেখক হয়ে গেল।একাডেমির সভাপতি ছিলেন বিরাট বিরাট মানুষ। কারোরই কখনো মনে হল না, এদেশের একজন অসম্ভব শক্তিধর মানুষকে তাঁরা বাদ দিয়ে যাচ্ছেন। ছফা ভাইয়ের মৃত্যুর খবর তাঁরা পেয়েছেন। আমার জানতে ইচ্ছে করছে, আজ সামান্য লজ্জা কি তারা পাচ্ছেন? নাকি এইসব মহাজ্ঞানী -গুণীরা লজ্জা নামক এই মানবিক আবেগের উর্ধ্বে বাস করেন?”

আজ আহমদ ছফার জন্মদিন, শুভ জন্মদিন ♥️

আহমদ ছফার একটি উক্তি দিয়ে শেষ করছি-
“কাউকে জ্ঞান বিতরণের আগে জেনে নিও যে তার মধ্যে সেই জ্ঞানের পিপাসা আছে কি-না। অন্যথায় এ ধরণের জ্ঞান বিতরণ করা হবে এক ধরণের জবরদস্তি। জন্তুর সাথে জবরদস্তি করা যায়, মানুষের সাথে নয়। হিউম্যান উইল রিভল।”

তথ্যসূত্রঃ
১. সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহদ কলাম, প্রথম আলো
২.ছফাকে নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের সাক্ষাৎকার
৩. বিএনপির সময়-অসময় -মহিউদ্দিন আহমেদ
৪. বসন্ত বিলাপ -হুমায়ুন আহমেদ
৫. আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার সমগ্র
৬. প্রথম আলোতে আলতাফ শাহনেওয়াজ এর সাক্ষাৎকার ও উইকিপিডিয়া।