• ৩১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১২ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ভূ মধ্য সাগর ট্রাজেডির ঘটনায় দিরাই ও জগন্নাথপুর থানায় ৯ দালালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের।

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত মার্চ ৩১, ২০২৬
ভূ মধ্য সাগর ট্রাজেডির ঘটনায় দিরাই ও জগন্নাথপুর থানায় ৯ দালালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

ভূ মধ্য সাগর ট্রাজেডির ঘটনায় দিরাই ও জগন্নাথপুর থানায় ৯ দালালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দিরাই থানায়

করেছেন নিহত সোহানের পিতা ছালিকুর। সোমবার গভীর রাতে দিরাই থানায় চার দালালের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হলেন দিরাই উপজেলার সালেহ আহমদ, মিকাইল মিয়া,মুজিবুর রহমান ও দোয়ারাবাজার উপজেলার জসিম উদ্দিন।

নিহতদ দিরাই উপজেলার বাসুরী গ্রামের সোহানুর রহমানের বাবা ছালিকুর রহমান বাদী হয়ে নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

 

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী মামলাটি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জগন্নাথপুর থানায় দায়ের কৃত মামলার আসামীরা হলো ছাতক উপজেলার বিলাল,দুলাল জগন্নাথপুরের আজিজুল ও দোয়ারাবাজার উপজেলার জসিম উদ্দিন ও এনাম। জগন্নাথপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

গত শনিবার লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু ঘটে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার ১২ জন রয়েছেন।

 

উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের বরাতে জানা যায়, দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় তীব্র খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন যাত্রীরা। পরবর্তীতে অনেকে মারা গেলে পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদেহগুলো সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

 

নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে দিরাই উপজেলার ৬ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলার ১ জন এবং জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্বজনদের অভিযোগ, দিরাই উপজেলার একটি চক্রের সঙ্গে জনপ্রতি প্রায় ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করে তারা লিবিয়া হয়ে গ্রিস যাওয়ার উদ্যোগ নেন। চুক্তি অনুযায়ী নিরাপদ ও বড় নৌযানে নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় তুলে দেওয়া হয়, যা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।