গতকাল শনিবার সিলেটসহ সারাদেশে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। টানা ছয়দিন এই কার্যক্রম চলার কথা থাকলেও টিকা সংকটের কারণে আপাতত একদিন এই কার্যক্রম চালানো হয়েছে। তবে সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ রোববার ও কাল সোমবারও এই কার্যক্রম চালানো যাবে। এরই প্রেক্ষিতে আজ সকাল থেকে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ২৭টি ওয়ার্ডে গণটিকাদান শুরু হয়েছে।
সিসিক সূত্র জানিয়েছে, ২৭টি ওয়ার্ডে প্রতিটিতে তিনটি করে টিকাকেন্দ্র আছে। সবমিলিয়ে ৮১টি কেন্দ্রে চলছে গণটিকাদান।
বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, টিকা নিতে আগ্রহী মানুষের ব্যাপক জটলা। কেউই সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে অবস্থান করছেন না। গায়ের সাথে গা ঘেষে তারা দাঁড়াচ্ছেন। অনেকের মুখেই নেই মাস্কও। টিকাকেন্দ্রে আসা মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কেন্দ্রগুলোতে স্বেচ্ছাসেবকদেরও তেমন তৎপরতা নেই।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিকা দেয়া হচ্ছে সংক্রমণ কমাতে। কিন্তু টিকা নিতে এসে যে পরিস্থিতির তৈরি হচ্ছে, তাতে সংক্রমণ কমার বদলে বেড়ে যাবে। সিটি করপোরেশন স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার ক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
গণটিকাদানে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করতে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম সুমনকে দফায় দফায় কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ফোন ধরেননি সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীও।
জানা গেছে, সিলেট নগরীতে প্রথম দিনে ২২ হাজার ৭৫৩ জন এসব কেন্দ্রে টিকা নেন। এর বাইরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ হাজার ৫৬০ জন এবং জেলা পুলিশ হাসপাতালে ৫৩০ জন টিকা নিয়েছেন শনিবার। আজ ও কাল ১৬ হাজার ২শ’ করে আরও ৩২ হাজার ৪শ’ মানুষকে টিকা দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে সিটি করপোরেশনের।
