• ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৭শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

জগন্নাথপুরে ষাঁড়ের লড়াইয়ের অনুমোদন চেয়ে মানববন্ধন ও ডিসি মহোদয়ের নিকট স্মারক লিপি প্রদান

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত এপ্রিল ১, ২০২৬
জগন্নাথপুরে ষাঁড়ের লড়াইয়ের অনুমোদন চেয়ে মানববন্ধন ও ডিসি মহোদয়ের নিকট স্মারক লিপি প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদগঞ্জ বাজার এলাকায় ষাঁড়ের ল’ড়া’ই’য়ে’র অনুমোদন চেয়ে মা’ন’ব’ব’ন্ধ’ন করেছে স্থানীয় ষাঁড়ের ল’ড়া’ই বাস্তবায়ন কমিটি।

 

বুধবার বিকাল ৩টায় বাজারের একটি পয়েন্টে এই মা’ন’ব’ব’ন্ধ’ন করেন তারা।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ষাঁড়ের লড়াই বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি খালিছ মিয়া চৌধুরী। একই কমিটির সিনিয়র সদস্য মুয়াদ খাঁনের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিক উদ্দিন ও সদস্য কামরুল হোসেন।

বক্তব্য বক্তারা বলেন, গ্রাম বাংলার শত বছরের ঐতিহ্য হচ্ছে ষাঁড়ের লড়াই। গ্রামীণ মানুষ এই লড়াই দেখে আনন্দ উপভোগ করেন। বিগত বছরগুলোতে আমরা এই লড়াইয়ের সফল আয়োজন করেছি। কিন্তু গত বছর থেকে এই লড়াইয়ের অনুমোদন পাচ্ছি না। এটি সুস্পষ্ট সাংস্কৃতিক চর্চায় বাঁধা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই খেলা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী আমরাও আবেদন করেছি। কিন্তু জেলাপ্রশাসক মহোদয় কেনো জানি আমাদের অনুমোদন দিচ্ছেন না। জগন্নাথপুর, ছাতক, বিশ্বনাথ ও সুনামগঞ্জের সংস্কৃতিমনা মানুষদের দাবি এ বছরও আমাদেরকে ষাঁড়ের লড়াই আয়োজন করার সুযোগ দেওয়া হোক। তারা বলেন, আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে, সব ধরণের বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে এই আয়োজন করবো এবং সফল সমাপ্ত করবো। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না এ নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারি।

 

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- জাহান মিয়া, সুমন মিয়া, জুবের আহমদ, জাহির মিয়া, শাহ জাহান মিয়া, হাবিব আহমদ রফিক, সাইফুল ইসলাম, রুমেল মিয়া, সেগুল মিয়া, মাহমদ মিয়া, সোহেল মিয়া ও হারুন মিয়াসহ আরো অনেকে।

 

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া জানান, ষাড়ের লড়াই আইনি ভাবে নিষিদ্ধ তাই পারমিশন দেওয়া হয়নি। আইনকে তো সবাই মানতে হবে। কেউ যদি আইন না মেনে এধরণের আয়োজন করে থাকেন সেটা তাদের ব্যাপার। এ বিষয়ে আমরা জানি না।