মো:নিজাম উদ্দিন:ব্যবহারে বংশের পরিচয় কথাটি চিরন্তন সত্য।কারণ মা বাবার আচরণ ধারণ এবং বহন করে সন্তান। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের চলন বলন গভীর দেশপ্রেম আমার মতো অনেকেই শুধু গল্পে শুনেছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমনন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের অতি সাধারণ বেশে চলাফেরা দেশের বরৈণ্যজন সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে তাঁর যে হৃদিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ে তুলেছেন এক কথায় অসাধারণ। সবার সাথে কুশল বিনিময় কথাবার্তা মিশে যাওয়া, মনে হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানেরই প্রতিচ্ছবি যেন আজকের প্রধানমন্ত্রী। পরিবর্তনের বিস্ময়কর উন্নতির পথে তিনি রাষ্ট্র সমাজকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা কাজ আচরণ জন আকাঙ্খাকে চাহিদাকে দারুণ ভাবে স্পর্শ করেছে।
পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিদিন তার বক্তব্যে বিএনপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য মুলক ভাবে যে বিষোদগার করতেন, এই ক্ষেত্রে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন! তাকে তির্যক ভাষায় রাজপথে অনেকেই আঘাত করে শ্লোগান দিচ্ছেন, তিনি নিরব জবাব দিচ্ছেন না। তার মনোযোগ অন্যদিকে, দেশবাসীকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সমালোচনার জবাব দেওয়া নয়!
তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিংবা আজকের বিরোধী দলের কারো সম্পর্কে কোন নেতিবাচক মন্তব্য থেকে একদম বিরত। তাঁর চিন্তা কর্মকৌশলে যুগান্তকারী পরিবর্তনে দেশের মানুষ খুবই উচ্ছসিত। জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির কতটা বেয়াদবদের লাগামহীন উদ্ধুত্বপূর্ণ আচরণে বিএনপির নেতাকর্মীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম। তবে প্রধানমন্ত্রী কিংবা বিএনপির নেতাকর্মীদের অতি উদারতা নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে জুলাই ব্যবসায়ী এই বেয়াদবরা যেন দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে এবং এদের এখনই কঠোর ভাবে দমন করতে ব্যর্থ হলে সরকার বিএনপি এবং দেশের অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। বেয়াদব নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, সার্জিস আলম গংদের গডফাদার কারা দেশবাসী জানে।এরা সময় পরিস্থিতিতে চরিত্রে পাল্টে যাওয়া শয়তান। এদেরকে চিহ্নিত করে রাজনৈতিক সামাজিক ভাবে বয়কট করতে হবে, এরা কোন ভাবেই দেশের জন্য কল্যাণকর নয়। এরা সুযোগ সন্ধ্যানী ভন্ড প্রত্যারক এরা কখনো গুপ্ত, কখনো চেতনাব্যবসায়ী দেশ বিধ্বংসী নেতা। আমি চাই আমার কোন শত্রুও যেন কখনো তাদের বন্ধু না হয়। কারণ এরা নির্দয় পাষন্ড এরা কারো বন্ধু হয়ে বেশিদিন থাকতে পারে না। এদের মধ্যে দেশপ্রেম নাই বললেই চলে। এরা ইন্সুইরেন্স কোম্পানীর মতো, শুধু কর্মীদের অতি লোভনীয় অফার দিয়ে তাদের কার্যক্রমে ব্যস্ত রাখে। ইন্সুইরেন্স কোম্পানীতে জয়েন্ট করার পরে কেউ এক্সিডেন্টে মৃত্যু বরণ করলে তার পরিবার বীমার পুরো টাকার একসাথে পেয়ে যায়। হাত পা ভাঙলে কিংবা অঙ্গহানি হলে ইন্সুইরেন্স কোম্পানী নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করে। তারাও তাদের কর্মীদের মৃত্যুর ঝুঁকিতে এভাবে রাখে। তোমার হাত পা ভাঙলে কিংবা মৃত্যু বরণ করলে আমরা তো আছি তোমার সাথে তোমার পরিবারের সাথে। তুমি জীবিত থাকলে আমাদের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকুরী পাবে আর মৃত্যু বরণ করলে তোমার পরিবার বেশকিছু টাকা পাবে।তুমি পাবে শহীদি মৃত্যু। এই কারণে এদের কর্মীরা উগ্র অসম্ভব বেয়াদব হয়। নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী হাসনাত সার্জিসদের মুখের ভাষা কোন ভাবেই কি রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারের মধ্যে পড়ে? এদের ব্যবসা হলো আবেগী সহজ সরল কর্মীদের নিয়ে।এদের সম্পর্কে বেশি কিছু লিখতে রুচিতে বাধে।
হাদির জন্য খুব দুঃখ হয়, এমন মৃত্যু নিশ্চয়ই কারো কাম্য নয়, তার হত্যাকারীদের দ্রুত প্রকাশ্যে ফাঁসি দাবী করছি।
দেশবাসী গভীর উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিরাপদ বেঁচে থাকা নিয়ে। কারণ তিনির অতি সহজ সরল আচরণ চলাফেরা মানুষের সাথে মিশে যাওয়া তার জীবনহানির শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অল্প দিনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর যে কার্যক্রম দেশবাসী সত্যি আশ্চর্য প্রীত মুগ্ধ অভিভূত । চরম বিপর্যস্ত অর্থনীতির বোঝা কাঁদে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে মন্ত্রী এমপি সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় চমৎকার ডিসিপ্লিনের মধ্যে নিয়ে আশার চেষ্টা করছেন, অভুতপূর্ব পরিবর্তন আসছে সর্বত্র সবার মাঝে। তাঁর কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে, ফ্যামেলী কার্ডের শুভ যাত্রা অবিশ্বাস্য এক সাফল্য, যারা এই কার্ডের সুবিধা পেয়েছেন তারা কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ করতে পেরেছে।
দেশের মানুষ এখন স্বপ্ন দেখছে তিনি যেন তার বাবা মায়ের চাইতেও নেতৃত্বগুণে সুখী সমৃদ্ধ স্বর্নিভর রাষ্ট্র পূণঃগঠনে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। দূর্নীতি চাদাবাজদের নির্মুল করাটাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ, এই যুদ্ধে বিজয়ী হলে এটা হবে বড় সাফল্য, এতে নিশ্চিত হবে দেশের অগ্রগতি।
মানবিক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে সর্বাবস্থায় আল্লাহ যেন হেফাজত করেন, এটাই আজ দেশবাসীর প্রার্থনা, মহান আল্লাহ যেন তাঁর সহায় হউন।
লেখকঃ মোঃ নিজাম উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান
সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি।
(এই লেখার জন্য সম্পাদকীয় পরিষদ দায়ী নয়।)