• ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৩ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

গুপ্ত’রা চরিত্রহীন বেঈমান মোনাফেক গাদ্দার,এরা রাষ্ট্র সমাজের ক্যান্সার-মো:নিজাম উদ্দিন

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬
গুপ্ত’রা চরিত্রহীন বেঈমান মোনাফেক গাদ্দার,এরা রাষ্ট্র সমাজের ক্যান্সার-মো:নিজাম উদ্দিন

 

গুপ্ত কারা? যারা অসৎ উদ্দেশ্যে নিজের রাজনৈতিক সামাজিক পরিচয় গোপন করে অন্য দল বা গোষ্ঠীর ভিতর ঢুকে সুযোগ সুবিধা ভাগিয়ে নেওয়া সহ ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করার পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্য অন্যত্র আদান প্রদান করে তারাই গুপ্ত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি সংগঠনের অগণিত গুপ্ত সদস্য আওয়ামী লীগ বিএনপি বা সুশীল পরিচয়ে তারা দীর্ঘদিন গুপ্ত হিসেবে কাজ করেছে, একটা সময়ে তারা তাদের মুল স্বরূপ প্রকাশ করে। আজকে দিবালোকের মতো পরিস্কার কারা কারা নিজের পরিচয় গোপন করে গুপ্ত হিসেবে কোন কোন সংগঠনে আশ্রয় নিয়ে লুকিয়ে ছিল? গত কাল গুপ্তদের নেতা বললেন তারেক রহমান নাকি দীর্ঘদিন গুপ্ত হিসেবে বিদেশে ছিলেন! আচ্ছা ভাই তারেক রহমান কি কখনো কোনদিন তার রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করেছেন? পৃথিবীর বহু দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতায় সরকার বা রাজনৈতিক দলের অনেক বিপর্যয় ঘটেছে। সরকার প্রধান তার পরিবারের সদস্য, বিরোধী দলের প্রধান তার পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিতে হয়েছে। জনাব তারেক রহমানের দীর্ঘ সতেরো বছর দেশের বাহিরে থাকা তেমনই একটা ঘটনা। বুঝতে হবে জনাব তারেক রহমান কে, তার পরিচয় কি? তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একমাত্র জীবিত সন্তান, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান, তিনি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারম্যান।

তাঁর বিরুদ্ধে চলমান দেশে বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত, তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েই তাকে বেঁচে থাকতে হবে।

গুপ্তরা পরিস্থিতি বুঝে রাজনীতি করে কথা বলে। গুপ্তরা যখন তার আসল পরিচয় গোপন করে কথা বলে তখন মনে হবে সে অনেক বড় দেশপ্রেমিক, আর যখন নিজের মুল জায়গায় গিয়ে কথা বলে তখন মনে হবে তার মতো আর নিকৃষ্ট মানুষ হয় না। বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের অকল্পনীয় জনপ্রিয়তা, তার রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ম্যাজিকেল কর্মকৌশলে বিরোধী শিবিরের ঘুম আজ হারাম। তাই তারা জোট বেঁধেছে নারী কেলেংকারী সহ বহু সমালোচিত ঘটনার সাথে জড়িত নিকৃষ্ট গুপ্তদের নিয়ে।

 

গাড়ির ভিতর থেকে জনতার কাতারে আসুন বলার পরের দিন নিজেই আবার ঢুকলেন গাড়ির ভিতর, বাহ চমৎকার! আনন্দ পেয়েছে দেশের মানুষ। জনাব তারেক রহমান বিভিন্ন সমাবেশে সিংহাসনের মতো চেয়ারে না বসে বসলেন সাধারণ চেয়ারে, আপনিও পরে তাই করলেন। তারেক রহমান ক্ষতিগ্রস্ত মহিলাদের শান্তনা দিতে গিয়ে হয়তো অনিচ্ছাকৃত গা স্পর্শ করে কথা বলেছেন, বলেলেন মহিলাদের স্পর্শ করা বেহায়াপনা হারাম। পরের দিন গুপ্তদের নেতা একজন মহিলাকে জড়িয়ে ধরে শান্তনা দিলেন।

 

অন্য কেউ নারীকে স্পর্শ করলে তা হয় হারাম বেহায়াপনা, আর নিজে স্পর্শ করলে খুব আরাম? আসলে কি, নিজের লাভ পাগলেও বুঝে।

নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে গুপ্তরা পাগল এবং সন্ত্রাসীদের মতো আচরণ করবে, শেরপুরের ঘটনা একটি প্রমাণ মাত্র।

নির্বাচনকে ঘিরে দেশি বিদেশি কোটকৌশল মেকানিজম ষড়যন্ত্র সংঘাত সহিংসতার আশংকা কি, উড়িয়ে দেওয়া যায়?

বিএনপির নেতাকর্মীদের সর্বোচ্ছ ধৈর্য্য সাহস ত্যাগ ঐক্যের মাধ্যমে তা মোকাবিলা করতে না পারলে ইঁদুরে ধান বিনাশ করবে। শুধু কথায় নয়, মনে প্রাণে হতে হবে সবার উপরে বাংলাদেশ।

 

লেখকঃ মোঃ নিজাম উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান।

সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি।

(এই লেখার জন্য সম্পাদক দায়ী নয়)