• ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

অবশেষে লকডাউনে পার্টির কথা স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৫, ২০২২
অবশেষে লকডাউনে পার্টির কথা স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

বিবিএন ডেস্ক : অবশেষে লকডাউন পার্টিতে যোগদানের কথা স্বীকার করে এজন্য ক্ষমা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। অনেকদিন ধরে গতবছর করোনার ভয়াবহ সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয় টেন ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টির বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি ব্রিটিশ মিডিয়াতে কিছু অনুসন্ধানী সংবাদ ও প্রমাণস্বরূপ বিভিন্ন ছবি ছাপা হওয়ায় জোরালো হয় পদত্যাগের দাবী। বিষয়টি এড়াতে পার্লামেন্টের অধিবেশনে যোগদান থেকেও বিরত থাকেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। নিজ দলীয় এমপিসহ বিরোধী দলের এমপিদের ক্রমাগত চাপের মুখে অবশেষে ১২ জানুয়ারী, বুধবার বিষয়টি স্বীকার করে ক্ষমা চান বরিস। করোনা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করায় ক্ষমা চেয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ২০২০ সালে লকডাউন চলাকালীন আয়োজিত এক গার্ডেন পার্টিতে যোগ দেয়ায় এই ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এ নিয়ে বৃটিশ নাগরিক ও রাজনীতিবিদদের তীব্র সমালোচনার মুখে রয়েছেন জনসন। তিনি মহামারিকালীন বিধিনিষেধকে তাচ্ছিল্য করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সমালোচকরা। যখন নিষিদ্ধ ছিল তখন তিনি সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্বা না করে পার্টিতে অংশ নিয়েছেন। এ জন্য কনজারভেটিভ দলেরও কয়েকজন সদস্য তার পদত্যাগ দাবি করেছেন। তারা বলছেন, বরিস যদি এই ক্ষোভ দমন করতে না পারেন তাহলে তার পদত্যাগ করা উচিৎ।

বুধবার প্রথমবারের মতো জনসন স্বীকার করে নেন যে তিনি ওই পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন।
২০২০ সালের মে মাসে ডাউনিং স্টিটে তার কার্যালয়ে এটি আয়োজিত হয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তিনি এই পার্টিকে একটি অফিসের অনুষ্ঠান হিসাবে নিয়েছিলেন। এরপরেও তিনি হাউজ অব কমনসে বলেন, আমি ক্ষমা চাইছি। আমার উচিৎ ছিল সবাইকে ফেরত পাঠানো।
উলে­খ্য, স¤প্রতি ফাঁস হওয়া এক ইমেইলে ওই পাটির্র বিষয়টি জানা গেছে। এই মেইল প্রকাশ করে বৃটিশ আইটিভি। এতে জানানো হয়, ওই পার্টিতে অন্তত ১০০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে সে দিন অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ৪০ জন। অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং তার স্ত্রী ক্যারি সিমন্ডস। প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল প্রাইভেট সেক্রেটারি মার্টিন রেনল্ডস ডাউনিং স্টি্রটের ওই পার্টিতে অংশ নিতে ১০০ এর বেশি জনকে মেইল করেছিলেন। এতে লেখা ছিল, এক অবিশ্বাস্য ব্যস্ত সময় পর আমরা ভাবছি এই সন্ধায় ১০ নম্বর গার্ডেনে মনোরম পরিবেশে পানীয় পান করা যাবে। এই মেইলের বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর থেকে চাপের মধ্যে রয়েছেন জনসন। বিরোধী দলের আইনপ্রনেতারা তার পদত্যাগ দাবি করেছেন। এমনকি নিজ দলেরও কয়েকজন আইনপ্রনেতা তার পদত্যাগ চেয়েছেন।