• ৯ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

‘সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া’

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত নভেম্বর ২৬, ২০২১
‘সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া’

বিবিএন ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ‘সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মেয়ে মাহমুদা খানম ভাসানী। শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) সকালে এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে নিচে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান তিনি। মাহমুদা খানমসহ ভাসানীর পরিবারের পাঁচ সদস্যের একটি দল বিএনপি নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে যান। তারা ৩০ মিনিটের মতো সেখানে অবস্থান করেন।
পরে ভাসানীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট মেয়ে মাহমুদা খানম ভাসানী বলেন, ‘বেগম জিয়া কথা বলতে পারছেন, তবে খুব ধীরে ধীরে। তিনি খুবই দুর্বল। তার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে বিদেশে পাঠিয়ে সুচিকিৎসার সুযোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানাই আমরা।’
একই দাবি ভাসানীর নাতি হাবিব হাসান মনারের, ‘আমরা বেগম জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলাম। তার চিকিৎসকরা বলেছেন, বেগম জিয়ার অবস্থা খারাপ। তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা সুযোগ দিতে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি জানাই।’
নাতি মাহমুদুল হক শানুর মতে, ‘মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী আজীবন মজলুমের পক্ষে লড়াই করেছেন। যেখানে অন্যায় সেখানেই তিনি ছিলেন প্রতিবাদী কণ্ঠ। পাকিস্তান সরকারের ফাঁসির দড়ি থেকে তিনি যেমনিভাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্ত করেছিলেন, তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নিপীড়নের হাত থেকেও তিনি রক্ষা করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য মওলানা ভাসানীর পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবী জানাচ্ছি।’

ভাসানীর পরিবারের অন্য সদসরা হলেন ভাসানীর বড় মেয়ে রিজিয়া ভাসানী, নাতনি সুরাইয়া সুলতানা। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •