• ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ইজারাবিহীন ধোপাজান নদীর বালু-পাথর লুটপাঠ।

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত মার্চ ৪, ২০২৬
ইজারাবিহীন ধোপাজান নদীর বালু-পাথর লুটপাঠ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ডলুরা চলতি নদী থেকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নীতিমালা ও শর্তাবলী তোয়াক্কা না করে রাতের আঁধারে অবাধে পাথর লুটের অভিযোগ উঠেছে একটি শক্তিশালী চক্রের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় সরেজমিনে ডলুরা নদীর পশ্চিম পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, ২০ থেকে ২৫টি ট্রাকে করে অবৈধভাবে পাথর ভর্তি করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যা সরকারি নির্দেশনার সরাসরি লঙ্ঘন।

সূত্রমতে, নিলামে কেনা পাথরের অবশিষ্টাংশ অপসারণের জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত মাত্র ৭ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, যেখানে ৭ নম্বর শর্তে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল যে সূর্যাস্তের পর কোনোভাবেই পাথর পরিবহন করা যাবে না। তবে বাস্তব চিত্রে দেখা গেছে, এই আইনি সুযোগকে পুঁজি করে রাতের অন্ধকারে কয়েকশ টন পাথর পাচার করা হচ্ছে। পাথর সরবরাহকারী শাহজাহান রাতে পাথর বের হওয়ার সুযোগ নেই বলে দাবি করলেও, লোড হওয়া ট্রাকগুলোর গন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন কারী জনৈক আল আমিন কে ফোন দিলে ও ফোন রিসিভ করেন নি।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জানান আমি বিযষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল মতিন খান জানিয়েছেন, রাতের বেলা পাথর অপসারণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এমন অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, শর্ত ভঙ্গ করে রাতে পাথর সরানো হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পাথর অপসারণ কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকায় রাতের বেলা এই প্রাকৃতিক সম্পদ লুটপাট হচ্ছে, যা দ্রুত বন্ধ হওয়া জরুরি।