• ১৮ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৯ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

সরকারী রাজস্ব ছাড়াই একটি বালুখেকো চক্র ধোপাজান নদী লুটেপুটে খাচ্ছে

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত মার্চ ২২, ২০২৪
সরকারী রাজস্ব ছাড়াই একটি বালুখেকো চক্র ধোপাজান নদী লুটেপুটে খাচ্ছে
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার অন্তর্গত ধোপাজান চলতি নদী দীর্ঘদিন ধরেই ইজারাবিহীন। এই সুযোগে একটি বালু খেকো চক্র সরকারের রাজস্ব বঞ্চিত করে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে চলেছে। প্রতিদিন গভীর রাতে পরিবেশ বিধ্বংসী ড্রেজার মেশিন. সেইভ মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলো।  এর সাথে আইন শৃংখলা বাহিনীর ও সিভিল প্রশাসনের কিছু অসাধু লোকজন ও জড়িত রয়েছে। প্রতি রাতেই ছোট ছোট পঙ্গপাল নৌকা বালু বোঝাই করে ধোপাজান চলতি নদী হয়ে ঝালখালী খাল দিয়ে বের হয়ে সুরমা নদী হয়ে বিভিন্ন জায়গাতে সরবরাহ করে। সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর থানার পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে অভিযান চালানোর পর পরই কিছুদিন নীরব থাকে আবার শুরুহয় তান্ডব লীলা। সুরমা নদীর সাহেব বাড়ি ঘাটে একটি স্পীড বোট নিয়মিত থাকে তারা খালের ভিতর টহল দেয়। আবার তাদের ভূমিকা নিয়েও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ রয়েছে। সুনামগঞ্জ শহরের ও সীমান্ত এলাকার এবং বালাকান্দা. মনিপুরি হাটি. কাইয়ার গাও গ্রামের চিহ্নিত কিছু বালুখেকো চক্র এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত।  এই চক্র আবার আইন শৃংখলা বাহিনীর ও সিভিল প্রশাসনের কিছু অসাধু লোকজন কে ম্যানেজ করেই এসব করছে এমন অভিযোগ স্হনীয়দের।
গত ১৯ মার্চ রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই রিয়াজ ও শাহ আলম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ বালাকান্দা. মনীপুরি হাটি. কাইয়ার গাও সহ অন্যান্য জায়গাতে অভিযান চালানোর সময় একদল লোক দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র সহ পুলিশের উপর হামলা করে।  এক পর্যায়ে পাথর ছুড়তে থাকে। এতে এসআই রিয়াজ. শাহ আলম সহ বেশ কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছেন।  এসআই রিয়াজের মাথা ফেটে গুরুতর আহত হয়েছেন। তার মাথায় ৮ টি সেলাই দেয়া হয়েছে।   সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্ম কর্তা  খালেদ চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অবৈধ বালু খেকোদের ৩২ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের হয়েছে এবং ১২ জনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।