• ১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১০ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

তাহিরপুরে আ’লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ,গুলিবিদ্ধ ৯ সহ আহত ১৫,আটক ৪

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
তাহিরপুরে আ’লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ,গুলিবিদ্ধ ৯ সহ আহত ১৫,আটক ৪
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার ঘটনার জেরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৯ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকেই নারী।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৭ টার দিকে উপজেলা সদরের মধ্যবাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন, সুমী, বর্ষা, নেজারুল, আনজু, অনিক, রাসেল, রুনা, অংকন প্রমুখ।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ তরফদার জানান, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ৭ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়েছে। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো কামরুল, বদরুল জামন, আসাদ ও গোলাম হোসেন।
, গুলিবিদ্ধরা পুলিশের নাকি প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত হয়েছে সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার তাহিরপুর উপজেলা সদরের ডাকবাংলোতে ভাষা দিবস পালন সংক্রান্ত একটি বৈঠকে স্থানীয় সাংবাদিক ও ছাত্রলীগ নেতা রাজন চন্দকে লাঞ্ছিত করেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হাফিজুর তালুকদার। এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখির জেরে হাফিজুরের  সমর্থকদের হাতে ফের লাঞ্ছিত হন রাজনের পিতা সাংবাদিক রমেন্দ্র নারায়ন বৈশাখ।
সূত্র আরো জানায়, যুবলীগ নেতা কর্তৃক সাংবাদিক পিতা-পুত্রকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সদরে মানববন্ধন করে উপজেলা প্রেসক্লাবের একাংশ ও স্থানীয় নাগরিক ঐক্য পরিষদ। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তানসেন তালুকদার তুষার ও ছাত্রলীগ নেতা সাংবাদিক রাজন।
সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে তানসেন ও রাজন উপজেলা সদরের পুকুরপাড় দিয়ে যাওয়ার সময় হাফিজুরের ভাতিজা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবুল বাশরের নেতৃত্বে তাকে ধরে মারপিট করে একদল যুবক। তুষার বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের এই ঘটনা জানালে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করতে আসেন। এ সময় উপজেলা সদরের মধ্য বাজারে দুপক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল দিয়ে পরস্পরের উপর হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন।
তাহিরপুর থানার ওসি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সংঘর্ষ ব্যাপক আকার নিলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৭ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়ে।
তিনি আরো জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা সদরে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বিপিএম জানান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শর্টগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।