• ২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৫ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

ছাতক কলেজে অধ্যক্ষের চেয়ার দখল; ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের প্রতিক্রিয়া

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
ছাতক কলেজে অধ্যক্ষের চেয়ার দখল; ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিগত ৬/২/২০২২ ইংরেজি তারিখে ছাতক সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক জনাব তুলসী চরণ দাস পুলিশ প্রহরায় অধ্যক্ষের কার্যালয়ের তালা ভেঙে প্রবেশ করে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দাবি করেন এবং আমার নেইম-প্লেট ভেঙে ফেলেন। অনার বোর্ড থেকে নাম মুছে ফেলেন। বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অধ্যক্ষের চেয়ারে বসে ফটোসেশন করে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে প্রচার প্রচারণা চালান। যা সুস্পষ্ট অবৈধ। ছাতক কলেজের ইতিহাসে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ইতোপূর্বে ঘটেনি। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ সরকারিকরণের ঘোষণা দেন ২০১৬ সালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৮ই আগস্ট ছাতক ডিগ্রি কলেজর সরকারিকরণের গেজেট প্রকাশ করা হয়। সে অনুযায়ী সরকারিকৃত কলেজ আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী কলেজটি পরিচালিত হয়ে আসছে।
বিগত ১২.০১.২০২২ ইংরেজি তারিখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব আব্দুস সত্তার অবসরে যাওয়ায় জ্যেষ্ঠতম শিক্ষক হিসেবে “সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮,” বেসরকারি আমলের কলেজ পরিচালনা পর্ষদের রেজুলেশন এবং ইউএনও মহোদয়ের পরামর্শ মোতাবেক সকল শিক্ষক কর্মচারীর উপস্থিতিতে ঐদিনই আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বভার অর্পন করেন। আমি ১২.০১.২০২২ তারিখ থেকে যথারীতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

বিগত ৩১.০১.২০২২ তারিখে মাউশি থেকে ২০১৮ বিধি অনুসারে সরকারিকৃত কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গ্রহণ সংক্রান্ত চিঠি ও ০৩.০২.২০২২ তারিখের ইউএনও মহোদয়ের নিকট থেকে বেসরকারি কলেজের এমপিও নীতিমালা ২০২১ সংক্রান্ত আরেকটা চিঠি প্রধান অফিস সহকারীর বরাবরে আসে ;দুটি চিঠির বক্তব্য ভিন্ন হওয়ায় আমি ০৬.০২.২২ তারিখে চিঠি দুটি নিয়ে ঢাকা মাউশিতে যাই। এই সুযোগে জনাব তুলসী চরন দাস ফিল্মি স্টাইলে পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে অধ্যক্ষের রুমে প্রবেশ করেন এবং নিজেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দাবি করেন। আমার প্রশ্ন,কার নিকট থেকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ?

এখন পর্যন্ত আমি বৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে আছি। আমি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নিয়োগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ১৯.০১.২০২২ তারিখে মাউশিতে জমা দেই,যার গ্রহণ নং ৪৫৫।