• ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৭ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

লন্ডনে জরুরী অবস্থার ঘোষণা মেয়র সাদিক খানের

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
লন্ডনে জরুরী অবস্থার ঘোষণা মেয়র সাদিক খানের

বিবিএন ডেস্ক:  প্রতিবছর এই সময়টায় ক্রিসমাস ও নতুন বছরকে ঘিরে লন্ডন আলোক সজ্জ্বায় পরিপূর্ন  থাকে। কিন্তু গত বছর লকডাউনের কারনে দেশটিতে  ক্রিসমাস আয়োজন হয়নি। মনে করা হয়েছিলো এবার হয়তো করোনা বাধা হবে না। কিন্তু এর মধ্যেই দেশটিতে গত বছরের তুলনায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে লকডাউন না থাকলেও, অনেকে ভয়ে ঘর থেকে হচ্ছে না। এরই মধ্যে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান লন্ডনে ওমিক্রনে আক্রান্ত সংখ্যা ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা মারত্মক দূর্ঘটনা হিসেবে ঘোষনা করেছেন। একই সাথে জরুরী অবস্থার ঘোষনা করেছেন মেয়র। জরুরী সেবা দানের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ, এম্বুলেন্স ও ফায়ার ব্রিগেড সেবা বাড়ানো হয়েছে লন্ডনে।

স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, ১৮ নভেম্বর শুধু মাত্র লন্ডনে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৯৭ জন মানুষ। আর পুরো দেশে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৫৯ জন। ১৮ ডিসেম্বর লন্ডনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজারের বেশি মানুষ। যা প্যান্ডামিক শুরুর পর সর্বোচ্চ। আর পুরো দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ৪১৮ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের মধ্যে লন্ডনের অবস্থা অনেক খারাপ। এখানে টিকা দেওয়ার হারও অনেক কম। বিশেষ করে বুষ্টার ডোজ।

লন্ডনে করোনার ভয়বহতা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাদিক খান এরই মধ্যে এনএইচএস কর্মী, কাউন্সিল এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সাথে বৈঠক করেছেন। সাদিক খান জানান,  সব সেক্টরকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে বলা হচ্ছে। কেননা যে কোন মূহুর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

সাদিক খান উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করে জানান, হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। একই সাথে হাসপাতাল কর্মীরাও আক্রান্ত হওয়া এরই মধ্যে কর্মী সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। আর এ কারনে লন্ডনে মেজর ইনসিডেন্ট বা মারত্মক দূর্ঘটনার সময়কাল যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এখানে মেজর ইনসিডেন্ট বলতে বুঝায়, যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে চলে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রনে আনতে  অতিরিক্ত লোকবলের প্রয়োজন হয় । একই সাথে এক বা একাধিক জরুরী সেবা দানকারী দল গঠন করা হয়।

প্রতিবছর এই সময়টায় ক্রিসমাস ও নতুন বছরকে ঘিরে লন্ডন আলোক সজ্জ্বায় পরিপূর্ন  থাকে। কিন্তু গত বছর লকডাউনের কারনে দেশটিতে  ক্রিসমাস আয়োজন হয়নি। মনে করা হয়েছিলো এবার হয়তো করোনা বাধা হবে না। কিন্তু এর মধ্যেই দেশটিতে গত বছরের তুলনায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে লকডাউন না থাকলেও, অনেকে ভয়ে ঘর থেকে হচ্ছে না। এরই মধ্যে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান লন্ডনে ওমিক্রনে আক্রান্ত সংখ্যা ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা মারত্মক দূর্ঘটনা হিসেবে ঘোষনা করেছেন। একই সাথে জরুরী অবস্থার ঘোষনা করেছেন মেয়র। জরুরী সেবা দানের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ, এম্বুলেন্স ও ফায়ার ব্রিগেড সেবা বাড়ানো হয়েছে লন্ডনে।

স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, ১৮ নভেম্বর শুধু মাত্র লন্ডনে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৯৭ জন মানুষ। আর পুরো দেশে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৫৯ জন। ১৮ ডিসেম্বর লন্ডনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজারের বেশি মানুষ। যা প্যান্ডামিক শুরুর পর সর্বোচ্চ। আর পুরো দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ৪১৮ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের মধ্যে লন্ডনের অবস্থা অনেক খারাপ। এখানে টিকা দেওয়ার হারও অনেক কম। বিশেষ করে বুষ্টার ডোজ।

লন্ডনে করোনার ভয়বহতা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাদিক খান এরই মধ্যে এনএইচএস কর্মী, কাউন্সিল এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সাথে বৈঠক করেছেন। সাদিক খান জানান,  সব সেক্টরকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে বলা হচ্ছে। কেননা যে কোন মূহুর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

সাদিক খান উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করে জানান, হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। একই সাথে হাসপাতাল কর্মীরাও আক্রান্ত হওয়া এরই মধ্যে কর্মী সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। আর এ কারনে লন্ডনে মেজর ইনসিডেন্ট বা মারত্মক দূর্ঘটনার সময়কাল যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এখানে মেজর ইনসিডেন্ট বলতে বুঝায়, যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে চলে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রনে আনতে  অতিরিক্ত লোকবলের প্রয়োজন হয় । একই সাথে এক বা একাধিক জরুরী সেবা দানকারী দল গঠন করা হয়।

প্রতিবছর এই সময়টায় ক্রিসমাস ও নতুন বছরকে ঘিরে লন্ডন আলোক সজ্জ্বায় পরিপূর্ন  থাকে। কিন্তু গত বছর লকডাউনের কারনে দেশটিতে  ক্রিসমাস আয়োজন হয়নি। মনে করা হয়েছিলো এবার হয়তো করোনা বাধা হবে না। কিন্তু এর মধ্যেই দেশটিতে গত বছরের তুলনায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে লকডাউন না থাকলেও, অনেকে ভয়ে ঘর থেকে হচ্ছে না। এরই মধ্যে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান লন্ডনে ওমিক্রনে আক্রান্ত সংখ্যা ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা মারত্মক দূর্ঘটনা হিসেবে ঘোষনা করেছেন। একই সাথে জরুরী অবস্থার ঘোষনা করেছেন মেয়র। জরুরী সেবা দানের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ, এম্বুলেন্স ও ফায়ার ব্রিগেড সেবা বাড়ানো হয়েছে লন্ডনে।

স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, ১৮ নভেম্বর শুধু মাত্র লন্ডনে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৯৭ জন মানুষ। আর পুরো দেশে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৫৯ জন। ১৮ ডিসেম্বর লন্ডনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২৬ হাজারের বেশি মানুষ। যা প্যান্ডামিক শুরুর পর সর্বোচ্চ। আর পুরো দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ৪১৮ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের মধ্যে লন্ডনের অবস্থা অনেক খারাপ। এখানে টিকা দেওয়ার হারও অনেক কম। বিশেষ করে বুষ্টার ডোজ।

লন্ডনে করোনার ভয়বহতা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাদিক খান এরই মধ্যে এনএইচএস কর্মী, কাউন্সিল এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সাথে বৈঠক করেছেন। সাদিক খান জানান,  সব সেক্টরকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে বলা হচ্ছে। কেননা যে কোন মূহুর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

সাদিক খান উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করে জানান, হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। একই সাথে হাসপাতাল কর্মীরাও আক্রান্ত হওয়া এরই মধ্যে কর্মী সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। আর এ কারনে লন্ডনে মেজর ইনসিডেন্ট বা মারত্মক দূর্ঘটনার সময়কাল যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এখানে মেজর ইনসিডেন্ট বলতে বুঝায়, যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে চলে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রনে আনতে  অতিরিক্ত লোকবলের প্রয়োজন হয় । একই সাথে এক বা একাধিক জরুরী সেবা দানকারী দল গঠন করা হয়।