• ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণে সিলেট অঞ্চলে দুর্নীতি-অনিয়ম

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত জুলাই ১২, ২০২১
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণে সিলেট অঞ্চলে দুর্নীতি-অনিয়ম

কাউসার চৌধুরী :: মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্যে ঘর নির্মাণে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অভিযোগে সুনামগঞ্জের শাল্লার ইউএনও আল-মুক্তাদির হোসেন ও হবিগঞ্জের মাধবপুরের সাবেক ইউএনও তাসনুভা নাশতারানের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্হা নেয়া হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও চুনারুঘাট উপজেলার অনিয়মেরও তদন্ত চলছে। সিলেটের বিশ্বনাথ , মৌলভীবাজার সদর ও হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়ও ঘটেছে একই অনিয়মের ঘটনা।  স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান গত শুক্রবার মাধবপুরে ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. ফজলুল কবির গত শনিবার শাল্লার ঘরগুলো পরিদর্শন করেন।

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক ও পরিচালক ,স্থানীয় সরকার বিভাগ) মো. ফজলুল কবির শনিবার বিকেলে জানিয়েছেন , পরিদর্শনকালে ঘরগুলোতে কিছু ত্রুটি পাওয়া যায়। এক সপ্তাহের মধ্যে ত্রুটি ঠিক করে দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গ্রামের সহায়সম্বলহীন মানুষ মাথাগোঁজার ঠাই পেয়ে আনন্দিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট তারা কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।  শাল্লার বর্তমান ও মাধবপুরের সাবেক   ইউএনও’র বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয়া হচ্ছে।অনিয়মের অভিযোগে ইতোপূর্বে শাল্লার মৎস্য কর্মকর্তাকে বান্দরানে বদলি করা হয়। মাধবপুরের পিআইও দুদকের হাতে গ্রেফতার হন। শাল্লায় মৎস্য অফিসার ও মাধবপুরে পিআইও’র কারনে অনিয়মগুলো হয়।আশ্রয়ন প্রকল্পে যাতে অনিয়ম না হয় এজন্যে আমরা সরেজমিনে যাচ্ছি। আশ্রয়ন প্রকল্পের কোথাও অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্হা নেয়া হবে।

সূত্রে জানা গেছে , হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনুভা নাশতারান ও সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  আল-মুক্তাদির হোসেনকে ওএসডি করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হচ্ছে  । তাদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এমন শাস্তিমুলক ব্যবস্হা নেয়া হচ্ছে বলে  একটি সূত্র জানিয়েছে। দেশের ৩৬টি উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠে। অনিয়মের এই তালিকার মধ্যে রয়েছে শাল্লা ও মাধবপুরের নাম।

সূত্র জানায় , আরও ২৯টি উপজেলায় অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত চলছে। ২৯ উপজেলার তালিকায় হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও চুনারুঘাটের নাম রয়েছে। বর্তমানে এই দুই উপজেলার অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসকল উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মানের নানা অনিয়মের সচিত্র বর্ণনা দেখা গেছে।

সূত্র জানায় , শাল্লায় ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ পেয়ে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদেরকে সাথে নিয়ে শাল্লার সংশ্লিষ্ট এলাকাসমুহ পরিদর্শন করেন। গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে ৩ জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাথে নিয়ে শাল্লায় তদন্তে যান তিনি । ২০ ফেব্রুয়ারি সিলেটের তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি ,  সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণসহ ২৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওখানকার নির্মাণাধীন প্রত্যেক ঘরে ঘরে যান। এরপর আরও দুই দফায় জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ ২৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাল্লা উপজেলায় সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেন।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন , অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(রাজস্ব) স্যার আজ শাল্লায় সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়েছেন।আমাদের জেলা প্রশাসনের ৪ জন ম্যজিস্ট্রেটসহ কর্মকর্তারাও গেছেন।তারা ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রুটি খোঁজে বের করবেন।ত্রুটিগুলো ঠিক করে দেয়া হবে।ইতোমধ্যে শাল্লার ইউএনওকে কারন দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্হাও নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন , ঘর নির্মাণে অভিযোগ আসার পরই ৩ জন এডিসি, ১১ ইউএনওসহ ২০ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে শাল্লায় যাই। দিনভর বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনিয়মের বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করা হয়। এরপর বিভাগীয় কমিশনার স্যারসহ ২৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পর্যায়ক্রমে ২৪ জন এবং সর্বশেষ ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরেজমিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনিয়ম যাচাই করেন। আমাদের কাছে নানাবিধ ত্রুটি বিচ্যুতি ধরা পড়ে। শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা সুবিধাভোগীদের নিকট দিতে  বাধ্য করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায় , শাল্লা উপজেলার বাসিন্দা দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী দিরাই উপজেলার গোপালপুর গ্রামের ৩ পরিবারকে অবৈধপন্হায় ঘর দেয়া হয়।  শাল্লা উপজেলায় নির্মিত ৩টি গ্রামের ২৫টি ঘরে দেখা দিয়েছে  ফাটল। ঘর নির্মাণ কাজের শুরু থেকে নানাবিধ অনিয়মের কারণে এ কাজের  সাথে সম্পৃক্ত উপজেলা  মৎস্য অফিসার মামুনুর রহমানকে বান্দরবানে বদলি করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেনকে দেয়া হয় কারণ দর্শানোর নোটিশ। এরপরই দরিদ্র গৃহহীনদের  পরিবহন খরচ বাবদ ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা উপকাভোগীদের নিকট ফেরত দেন ইউএনও আল-মুক্তাদির হোসেন । সরকারের নীতি উপেক্ষা করে প্রায় ২৫৭টি ঘর দেয়া হয়েছে রেকর্ডিয় জায়গায়।

এদিকে আবার ঘরের কাজ শেষ  হতে না হতেই বেশ কিছু  ঘরে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। ব্যবহারের আগেই কোনো কোনো ঘরের রান্নাঘর ও বাথরুমের অংশ ধসে পড়েছে। খসে পড়ছে দরজা জানালাও।  উপজেলার ভেড়াডহর, আটগাঁও, মুজিবনগর , সেননগরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

শাল্লা সদরের নিকটে শান্তিপুর গ্রামের খায়রুল মিয়া ও রুবেল মিয়ার ঘরে বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সেননগরের কেনু মিয়া বলেন, নতুন ঘরের দরজা জানালা ছুটে গিয়েছে।  জাহির আহমদ বলেন, তার ঘরের জানালাও খুলে পড়ছে। বারান্দায় এখনো টিন লাগানোর বাকি আছে। আমাকে কাঠ কিনে আনতে হয়েছে । মুজিবনগরের তোয়াহিদ মিয়া বলেন,  বৃষ্টি হলে ঘর ভিজে যায়। তখন আর মনে হয় না পাকা ঘরে আছি।

মুজিবনগর নামে নতুন নির্মিত গ্রামে  ১০৫টি ঘর সম্পূর্ণ নতুন মাটির উপরে নির্মাণ করা হয়। ফলে বহু ঘরেই দেখা দিয়েছে ফাটল। আবার বৃষ্টি হলেই পানিতে ভেসে যায় ঘরের ফ্লোর।  নির্মাণে নিম্ন মানের  কাঠ ও দরজা জানালায় ষ্টীলের পরিবর্তে হালকা পাতলা প্লেন শিট দেয়া হয়েছে।

তাহিরপুর উপজেলার মাণিগাঁও গ্রামে নির্মিত নতুন ঘরে ইতোমধ্যে ফাটল ধরেছে। নতুন ঘরের নেই জানালা। বাথরুমের ট্যাংকিও ভেঙে গেছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে এতথ্য পাওয়া গেছে।

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের রূপনগর এলাকায় ২৭টি পরিবার উপহারের ঘর পেয়েছেন। গত বছরের জানুয়ারিতে ঘরগুলো তাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু একটু বৃষ্টি হলেই সেখানে ঘরের চারপাশে সৃষ্টি হয় মারাত্মক জলাবদ্ধতা। এখানে স্থাপন করা কয়েকটি গভীর নলকূপ বা টিউবয়েলও অকেজো হয়ে গেছে। যে টিউবওয়েলগুলো সচল রয়েছে এগুলোর পানিতে চরম দুর্গন্ধ । ফলে টিউবওয়েলের পানিও  ব্যবহারের উপযোগী নয়। সব মিলিয়ে সুবিধাভোগী লোকজনের দুর্ভোগের শেষ নেই।

একটু শান্তির ঠিকানা খুঁজতে গিয়ে তারা যেন সংকটে পড়েছেন। এঘটনার অভিযোগে মাধবপুরের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাশনুভা নাশতারানের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্হা নেয়া হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা আত্মসাত করেন। এঘটনায় তিনি গ্রেফতারও হন। বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে তার বিরুদ্ধে  মামলা চলছে।

হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও এলাকায় ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘর নির্মাণের পর কিছু দিন যেতে না যেতেই বেশ কয়েকটি ঘরে দেখা দিয়েছে ফাটল।  ফাটলের বিভিন্ন অংশে একাধিকবার সিমেন্ট দিয়ে ফাটল ঢাকার চেষ্টা করা হলেও  কোন  কাজ হয়নি।

বেশ কিছু ঘরের ফ্লোরও ধেবে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। নিম্নমানের কাজের ফলে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)  তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান , মাধবপুরের বিষয়টি ইতোমধ্যে সবাই শুনেছেন। তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয়া হচ্ছে। সেখানকার পিআইও’র কারনেই মাধবপুরের ঘটনা ঘটেছে।  নবীগঞ্জে ঘর নির্মাণ নিয়ে সমস্যা হয়েছিল পরে সেটি ঠিক করা হয়েছে। চুনারুঘাটে ঘর নির্মাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ নেই। এখানে সুবিধাভোগীরা কেন ঘরে থাকেন না এবিষয়টির  খোঁজ নেয়া হচ্ছে। আজমিরীগঞ্জে ঘর নির্মাণে কোন অনিয়মের অভিযোগ কেউ করেননি।

সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার বিশ্বনাথ ইউনিয়নের দন্ডপানিপুর গ্রামের পাশে নির্মিত ১৬টি ঘরের বেশ কয়েকটির দেওয়াল ও মেঝেতে ফাটল দেখা দেয়। বৃষ্টি হলে ঘরের চালা দিয়ে পানি পড়ে। নবনির্মিত ঘরের এমন অবস্থায় সুবিধাভোগী লোকজন অসুবিধায় পড়েছেন।

তবে , বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দাস জানান  , ঘরের মধ্যে জয়েন্ট ছুটে গিয়ে সামান্য সমস্যা হয়েছিল। এটি ঠিক করে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে কোন সমস্যা নেই।

মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকায় মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের বাইরে নির্মাণ করা হয়েছে ৪০টি ঘর। আর কিছুদিন পর কেউই এই ঘরে বসবাস করতে পারবেন না বলে আশংকা করা হচ্ছে। কারণ প্রতিবছর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও বর্ষাকালীন ওই জায়গায় ১০-১২ ফুট ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এর ফলে এখানকার সুবিধাভোগীদেরকে চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হবে।

মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান , অভিযোগগুলো সত্য নয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া মতামতের পরই এখানে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলায় এখন পর্যন্ত কোথাও ঘর ভেঙে পড়া বা ফাটলের ঘটনা ঘটেনি। তবুও আমরা খোঁজ নিচ্ছি। কোথাও এরকম কিছু হয়ে থাকলে তা মেরামত করে দেয়া হবে।

আশ্রয়ণ প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে , মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ প্রদান নীতিমালা অনুযায়ী

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি। কমিটির অন্য চার সদস্য হলেন ,  সহকারী কমিশনার (ভূমি), এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। ঘর নির্মাণে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে তাদেরকেই  দায়দায়িত্ব নিতে হবে। ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রমান  ইতোমধ্যে কয়েকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট  কর্মকর্তা ও ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।