• ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

দোয়ারাবাজারের ওসি লাঞ্চিত করলেন সাংবাদিক মুন্নাকে,ওসির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে কোন সাহসে থানায় আসো?

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত মে ২৩, ২০২১
দোয়ারাবাজারের ওসি লাঞ্চিত করলেন সাংবাদিক মুন্নাকে,ওসির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে কোন সাহসে থানায় আসো?

সিলেট প্রতিনিধি:  দোয়ারাবাজারে বিভিন্ন সময়র ওসি বিরুদ্ধে সংবাদ করায় দোয়ারাবাজার থানার ওসির হাতে সাংবাদিক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার(২১ মে) দুপুর ২ টার দিকে দোয়ারাবাজার থানার সাধারণ ডায়রী নং- ৭৬৯/২০২১ ইং এর বাদী দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব ও দৈনিক সুনামগঞ্জে ডাক পত্রিকার দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি এবং বিডি স্টার টিভির স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক এনামুল কবির মুন্না থানায় গিয়ে জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আতিকুর রহমান খান এর সাথে সাক্ষাৎ করে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। পাশাপাশি র‌্যাব কতৃর্ক মাদক উদ্ধার সম্পর্কিত মামলা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিষয়টি দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম এর দৃষ্টিগোচর হইলে তিনি সাংবাদিক এনামুল কবির মুন্নাকে বিভিন্ন সময়ে ওসি বিরুদ্ধে সাংবাদ প্রকাশ করায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং থানা হইতে বাহির হয়ে যাওয়ার জন্য চিল্লাচিল্লি করেন। উক্ত ঘটনাটি সাংবাদিক মুন্নার সহযোগী দুইটি ভিডিও চিত্র ধারণ করেন।প্রথম ভিডিও রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, সাংবাদিক মুন্না কারণ জানতে চাইলে- ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন- তুমি ওসির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে কোন সাহসে থানায় আসো। ফারদার কোনদিন যেন তোমাকে থানায় না দেখি। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক মুন্নাকে ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম নানাবিধ অকথ্য ভাষায় কথা বলে অপমান করে থানা থেকে বের করে দেন। উক্ত দুইটি ভিডিওটি দেখলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে।

এবং ২য় ভিডিও রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, ওসি স্থানীয় মান্নার গাওঁ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অসিত কুমারকে উস্কে দিয়ে সাংবাদিক মুন্নাকে মারধর করতে আসেন এবং স্থানীয় লোকজন সহ থানা পুলিশ অসিত কুমার কে আটকিয়ে রাখেন। এদিকে উক্ত ভিডিও’র ০১.৪৬মিনিটে দেখা যায় যে, ওসি সাহেব পুনঃরায় অসিত কুমারকে উস্কে দিয়ে বলেন- এরে (মুন্নাকে) কিছু করতে পারবেন না, এদের (অসিত কুমার) নুনু নাই সাথে।

ঘটনার সময় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মনিরুজ্জামান খান, এসআই মোঃ আতিকুর রহমান,এসআই আবু নাঈম, এসআই সমরাজ, এএসআই মোঃ কামাল হোসেন,ডিএসবি’র এএসআই মোঃ আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী সহ স্থানীয় ১০/১৫ জন লোক উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম এর উক্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি সাংবাদিক এনামুল কবির মুন্না সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, বিপিএম কে অবহিত করেন। এবং সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম কে ওসির উক্ত ঘটনাটি সম্পর্কে সাংবাদিক মুন্না অবহিত করেন।

উক্ত বিষয়টি পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, বিপিএম ও সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম কে অবহিত করলেও অদ্যবদি কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। যার ফলে বিষয়টি নিয়ে সর্বমহলে পুলিশকে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম প্রতিবেকে বলেন আমি বলছি ম্যাডাম আসতেছেন তথ্য নিয়ে সবাই চলে যান। এ সময় তিনি প্রবেদকে আরো বলেন আমি ওসমানী মেডিকেলে আছি এমসি নেওয়ার জন্য এখন পরিচালকের রুমে আছি। রুম থেকে বাহির হয়ে আমি আপনাকে ফোন দিচ্ছি।