• ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

বীর মুক্তিযুদ্ধাদের তালিকায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জনের নাম

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত মার্চ ২৫, ২০২১
বীর মুক্তিযুদ্ধাদের তালিকায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জনের নাম

বিবি এন নিউজ ঢাকাঃ  মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রথম ধাপে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের নাম।

মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, “যথাযথ প্রক্রিয়া ও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা চূড়ান্তকরণের কাজ করছি। আজ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকার প্রথম ধাপ প্রকাশ করা হয়েছে।”

প্রাথমিক তালিকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতাসহ ঢাকা বিভাগের ৩৭ হাজার ৩৮৭, চট্টগ্রাম বিভাগের ৩০ হাজার ৫৩, রাজশাহী বিভাগের ১৩ হাজার ৮৮৯, খুলনা বিভাগের ১৭ হাজার ৬৩০, সিলেট বিভাগের ১০ হাজার ২৬৪, বরিশাল বিভাগের ১২ হাজার ৫৬৩, রংপুর বিভাগের ১৫ হাজার ১৫৮ ও ময়মনসিংহ বিভাগের ১০ হাজার ৫৮৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম স্থান পেয়েছেন এই তালিকায়।

তৃণমূল থেকে যাচাই-বাছাইয়ের পর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকার প্রথমটি প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সেটা অপূর্ণাঙ্গই থাকছে।

মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে এন্ট্রি করেছি ১ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম। তবে প্রায় ৩৫ হাজার জনের বেসামরিক গেজেট জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের অনুমোদন না থাকায় এ তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।’

ইতিমধ্যে এসব গেজেট নিয়মিতকরণের উদ্দেশ্যে ৪৩৪ উপজেলার প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে মন্ত্রণালয়। যাচাই-বাছাই ও আপিল শুনানি শেষে চলতি বছরের ৩০ জুন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় প্রকাশ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়ন প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল বলেন, ‘১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করলেও তাঁদের কোনো তালিকা করতে পারিনি। বিলম্ব হলেও সে তালিকা করা শুরু করেছি।’

স্বাধীনতার পর থেকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে বারবারই। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হলে নতুন করে প্রায় দেড় লাখ আবেদন আসে। কিন্তু যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন থেকে শুরু করে পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় শেষ পর্যন্ত নতুন তালিকা প্রকাশ স্থগিত করতে হয় সরকারকে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •