• ১৪ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে নামের শেষে ‘মাদানী’:শিশু বক্তাকে লিগ্যাল নোটিশ!

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে নামের শেষে ‘মাদানী’:শিশু বক্তাকে লিগ্যাল নোটিশ!

বিবিএন নিউজ ডেস্ক:মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা না করে নামের শেষে ‘মাদানী’ উপাধি ব্যবহার করায় আলোচিত শিশু বক্তা রফিকুল ইসলামকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরীফুল হাসান খাঁন এ নোটিশ পাঠান। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মদিনা শাখার আমির ও সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীর পক্ষে নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। আজ সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এ আইনজীবী।

এতে বলা হয়, আপনি নোটিশ গ্রহিতা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা না করে অথবা মদিনা মনোয়ারায় বসবাস না করা সত্ত্বে দীর্ঘদিন যাবত বেআইনিভাবে নিজের নামের সঙ্গে ‘মাদানী’ পদবী ব্যবহার করে আসছেন। শুধুমাত্র মানুষকে বিভ্রান্ত করে অনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে সত্য গোপন করে আলেম ওলামাসহ পাঠকদের কাছে আমার মক্কেলের গ্রহণযোগ্যতাকে নিজের নামে ব্যবহার করার হীন উদ্দেশ্যে নিজের নামের সাথে ‘মাদানী’ নাম পদবী ব্যবহার করছেন। যা সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক ও বেআইনি।

নোটিশে আরও বলা হয়, যেহেতু আমার মক্কেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী তার নামের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছরের বেশি ‘মাদানী’ পদবী ব্যবহার করে দেশে ও বিদেশে সর্বমহলে পরিচিতি লাভ করেছেন। আপনাকে আমার মক্কেল একাধিকবার মৌখিকভাবে এ অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা সত্ত্বেও আপনি অনুরোধ রক্ষা না করে আপনার অনৈতিক ও বেআইনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ‘মাদানী’ পদবী ব্যবহার করা থেকে বিরত না থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার জন্য আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে একাধিকবার তার ব্যবহৃত নাম্বারে কল দেওয়া হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

প্রসঙ্গত, তরুণ ওয়ায়েজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসা থেকে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ ক্লাস দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেছেন। শারীরিক আকৃতিতে ছোট হওয়ায় শিশু বক্তা হিসেবে পরিচিত তিনি। মাওলানা রফিকুল ইসলাম নেত্রকোনা জেলার পশ্চিম বিলাশপুর সাওতুল হেরা মাদরাসার পরিচালকও।