• ৩০শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১লা জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি

পতিতা ভাড়া করে বৃটিশ দম্পতির যৌনাচার; সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ড জরিমানা

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত জানুয়ারি ৯, ২০২১
পতিতা ভাড়া করে বৃটিশ দম্পতির যৌনাচার; সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ড জরিমানা

বিবিএন নিউজ ডেস্ক : বৃটিশ দম্পতি অ্যানড্রু লুকার এবং জুলিয়া নাইটলি অবকাশ যাপনে গিয়েছিলেন বারবাডোজে। সেখানে অবাধ যৌনতায় মেতে ওঠেন তারা। তারা দম্পতি। তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক নিয়ে তো কোন কথাই থাকতে পারে না। কিন্তু তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে যৌন সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা দিতে হোটেলকক্ষে ভাড়া করেন এক পতিতাকে। ২৪ বছর বয়সী জ্যামাইকান ওই পতিতা মিকায়েলা জ্যাকাসকে পাঁচ তারকা হোটেলের রুমে পেয়ে তিনজনে মেতে ওঠেন অসংলগ্ন যৌনতায়। তাদের এমন উদ্দামতার পর সেখানে ঘেরাও দেয় বেরসিক পুলিশ।

শেষ রাতের দিকে নিরাপত্তারক্ষীরা সেখানে অভিযান চালিয়ে আটক করে ওই তিনজনকে। এর মধ্যে বৃটিশ দম্পতিকে ৪৪০০ পাউন্ড জরিমানা করা হয়। কারণ হিসেবে দেখানো হয়, তারা ক্যারিবিয়ান ওই দ্বীপে কোভিড-১৯ বিষয়ক বিধিনিষেধের লঙ্ঘন করেছেন। সচিত্র এ খবর প্রকাশ করেছে অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়, একজন নিরাপত্তারক্ষী টেজার বিচ হোটেলে মধ্যরাতের পর দেখতে পান জ্যাকাস নামের ওই যুবতী বৃটিশ দম্পতিদের রুমে প্রবেশ করছেন। আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছিলেন বৃটিশ দম্পতি। সেখানে যৌনতায় মেতে ওঠেন তারা তিনজন। এ অবস্থা দেখে ওই নিরাপত্তাকর্মী পুলিশে খবর দেন। তারা যখন অবাধ যৌনতা শেষে পানীয় পানে মত্ত তখন সেখানে ঘেরাও দেয় পুলিশ।

আটক করা হয় তাদের। এ সময় মিকায়েলা জ্যাকাস স্বীকার করেছেন, তিনি অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কে অংশ নিয়েছেন। লুকার এবং নাইটলি দম্পতি তাকে অর্থ দিয়েছেন। তার জন্য ওই দম্পতির সঙ্গে তিনি যৌনতায় অংশ নেন। তিনি জ্যামাইকা থেকে বলেছেন, হ্যাঁ, আমি ওই দুজনের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলাম। আমাদের একটি ‘সেক্স পার্টি’ ছিল। এর জন্য সময়মতো তারা আমাকে অর্থ দিয়েছেন। কিন্তু আমি তাদেরকে বিপদে ফেলতে চাইনি। তারা খুব ভাল মানুষ। আমি আমার সময়ে কি করবো তা অন্য কারো দেখার বিষয় নয়। কার সঙ্গে কিভাবে চলবো সেটাও কারো দেখার বিষয় নয়।

ওদিকে মিকায়েলা জ্যাকাসের একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে তিনি জ্যামাইকান স্টাইলে আপত্তিকরভাবে কোমড় দুলিয়ে ‘টোয়ার্ক’ ড্যান্স করছেন। তার এক বন্ধু বলেছেন, বৃটিশ ওই দম্পতির সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তারের পর পরই তিনি জ্যামাইকা ফিরে গেছেন। তিনি নিজের নাম পত্রিকায় দেখে হতাশ হয়েছেন। মিকায়েলা বলেছেন, আমার এতা প্রচারণা হবে ভাবতেই পারি নি।

বৃটেনের রোচডেলের মিস্টার লুকার ও মিসেস নাইটলি। লুকার একজন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার স্ত্রী চেডলে হামের একজন বিউটিশিয়ান। তারা করোনাকালে বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের অভিযোগ স্বীকার করেছেন। এজন্য তাদের প্রতিজনকে ২২০০ ডলার জরিমানা করা হয়েছে এবং ৭০০০ পাউন্ডের বিনিময়ে জামিন দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যদি তারা সাত দিনের মধ্যে এই অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন তাহলে তাদেরকে ৯ মাসের জন্য জেলে যেতে হবে।

 

মিসেস নাইটলি (৪১) চার সন্তানের একজন সিঙ্গেল মা। তিনি যোগ্যতার দিক দিয়ে একজন নার্স। এর কয়েক বছর আগেও তিনি একবার সংবাদ শিরোনামে পরিণত হয়েছিলেন। তখন তিনি আন্ডারওয়্যার পরে একটি কসমেটিক ক্লিনিকে উস্কানিমূলক ছবি ব্যবহার করেছিলেন। এ জন্য তিনি ক্ষমাও চেয়েছিলেন।(জনমত)