• ৩০শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১লা জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি

ইংল্যান্ডে ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
ইংল্যান্ডে ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ

বিবিএন নিউজ ডেস্ক: অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান করতে বৃটেনে এনএইচএস কর্তৃক দশ হাজার মেডিক ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। সরকার নিয়ন্ত্রক সংস্থার সবুজ সংকেতের জন্য অপেক্ষা করছে, যাতে টিকাদান কার্যক্রমকে আগামী সোমবার থেকে বাস্তবায়ন করা যায়। আর এজন্য ইতিমধ্যে ভ্যাকসিনের ১০০ মিলিয়ন ডোজ কিনে নেয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে।

অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা জাবের জন্য গণটিকা কেন্দ্র হিসেবে ক্রীড়া স্টাডিয়াম এবং সম্মেলন ভেন্যুগুলি ব্যবহারের মাধ্যমে ৪ জানুয়ারি থেকে ভ্যাকসিনটি রোলআউট তথা টিকাদান কার্যক্রম চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে। এছাড়াও শত শত পপ-আপ জিপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রগুলির মাধ্যমেও বিশাল টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। যাতে করে নতুন বছরে দ্রুততম সময়ে দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

নতুন ভ্যাকসিনটি অগ্রাধিকার ভিত্তিক তালিকার মাধ্যমে প্রদান করা হবে বলে মনে হচ্ছে। তবে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সংযুক্ত করা হতে পারে। বর্তমানে কেবল মাত্র বয়স্ক, ক্লিনিকেলি দুর্বল এবং স্বাস্থ্য ও সেবা কর্মীদের টিকাদান করা হচ্ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার নতুন রূপটির ধরা পড়ছে। কোভিডের এই স্ট্রেইন ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রামক হওয়ায় এর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। করোনা ভাইরাসের ভর্তি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এনএইচএস কর্মীরা সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রতি ১০ জনের একজন অসুস্থ একজন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।কোভিডের নতুন স্ট্রাইনের মুখে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলি উন্মুক্ত রাখতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সমস্ত দেশকে তাৎক্ষণিকভাবে টিয়ার-৪ স্তরের লকডাউনে যেতে হবে।

তবে ভ্যাকসিনটি দিয়ে টানেলের শেষ প্রান্তে আলো দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বৃটেনের চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক। গতরাতে তিনি বলেছেন, নতুন ভ্যাকসিন কোভিড দুর্দশা থেকে মুক্ত হবার একটি রাস্তা দেবে তা নিশ্চিত করার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ব্যয় করা হচ্ছে। আমি আত্মবিশ্বাসী, যদি আমরা সবাই মিলে এগিয়ে যাই তবে এই বছরের মধ্যে আমরা একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করতে পারি।