• ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১০ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

ব্রিটেনের রাজ পরিবারের ৯ মাস পর মিলন,কেট-উইলিয়ামের কাজের প্রশংসা

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৯, ২০২০
ব্রিটেনের রাজ পরিবারের ৯ মাস পর মিলন,কেট-উইলিয়ামের কাজের প্রশংসা

বিবিএন নিউজ ডেস্ক:ব্রিটেনের রাণী মঙ্গলবার রাতে প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটনকে সম্ভাষণ জানান। কোভিড-১৯ মহামারীতে আক্রান্তদের সেবা প্রদানে জড়িত সামনের সারির যোদ্ধা চিকিৎসাকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী ও গণমাধ্যম কর্মীদের দেখা ও উৎসাহ প্রদানের জন্য সারা দেশ ঘুরে তাঁরা রাজ পরিবারে ফিরেছেন। ৯৪ বছর বয়সী রাণীর সাথে স্বামী এডওয়ার্ড, প্রিন্স চার্লস ও তাঁর স্ত্রী ক্যামিলা, সোফি এবং প্রিন্সেস অ্যান এসময় উপস্থিত ছিলেন। গত মার্চ মাসের পর এই প্রথম তারা প্রকাশ্যে একসাথে মিলিত হলেন।

উইন্ডসর ক্যাসলে এসময় রানীকে বেশ হাস্যজ্জল দেখা গেছে। ৯৪ বছর বয়সী রাণী একটি লাল রঙের পোশাক পরেছিলেন। টুপি এবং কালো গ্লাভসের সাথে মিল রেখে তার ট্রেডমার্ক লুনার হ্যান্ডব্যাগ বহন করছিলেন তিনি। লকডাউন হওয়ার পরে এই প্রথম রয়্যালস একসাথে কোনো অফিসিয়াল ইভেন্টে জড়ো হয়েছেন। করোনাকালে কেট এবং উইলিয়ামের প্রশংসনীয় ভূমিকায় রাণী তাদের স্বাগত জানান।

বিশেষ রাজকীয় জমায়েতের জন্য রানী দুর্গের ইক্যুরির প্রবেশ পথের সিড়িতে দাঁড়িয়ে চতুর্দিক প্রত্যক্ষ করেন।

লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটে অবস্থিত সালভেশন আর্মি তখন রিজেন্ট হল ব্যান্ডের নান্দনিক ক্রিসমাস সঙ্গীত বাজিয়েছে। চারটি ছোট বড় ক্রিসমাস ট্রি, প্রতিটি ধাপের দুই পাশে সাদা লাইট দিয়ে সজ্জিত ছিল।

কেট এবং উইলিয়াম গত ৩ দিনে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলসের ১২৫০ মাইল ট্রেন ভ্রমণ করেছেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সেবা প্রদানকারীদের ধন্যবাদ দিতে ‘রয়্যাল ট্রেনে’ করে রোববার সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে তাঁরা যাত্রা করেন। ভ্রমণের অংশ হিসেবে সোমবার এডিনবরায় পৌঁছান। এরপর পর্যায়ক্রমে স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলস ভ্রমণ করেন। ওয়েলসের পপ তারকা একটি জনপ্রিয় গান গেয়ে তাদের স্বাগত জানান। এই রয়্যাল ট্রেন রানী ভিক্টোরিয়া ১৮৪২ সালে প্রথম ব্যবহার করেছিলেন।

যাত্রাকালে কেট এবং উইলিয়াম ট্রেনের ইনফরমেশন বোর্ডে দেশের সব পরিবহনকর্মীদের ধন্যবাদ দিয়ে লেখেন– কঠিন এ বছরটিতে দেশকে চলমান রাখার জন্য সব জায়গার সব পরিবহন কর্মীকে ধন্যবাদ।(ওয়ান বাংলা)

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •