• ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১লা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

চুক্তি ভঙ্গ করলে আর্মেনিয়াকে কঠিন জবাব দিবে বলে তুরষ্কের হুশিয়ারী

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত নভেম্বর ১৩, ২০২০
চুক্তি ভঙ্গ করলে আর্মেনিয়াকে কঠিন জবাব দিবে বলে তুরষ্কের  হুশিয়ারী

বিবি এন নিউজ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  চুক্তি ভঙ্গ করলে তার ফল ভুগতে হবে। এভাবেই তুরস্ক সতর্ক করে দিলো আর্মেনিয়াকে। অন্যদিকে আর্মেনিয়াতে বিক্ষোভ অব্যাহত। নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়ায় বিক্ষোভ অব্যাহত। তারই মধ্যে তুরস্ক কঠিন হুঁশিয়ারি দিলো আর্মেনিয়াকে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, আর্মেনিয়া যদি কোনো ভাবে চুক্তিভঙ্গ করে, তা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তুরস্কের সেনা আর্মেনিয়াকে কঠিন জবাব দেবে।

নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত ছয় সপ্তাহ ধরে তুমুল যুদ্ধ হয়েছে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের। গত সোমবার রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান, আর্মেনিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। যেখানে আপাতত যুদ্ধ বন্ধের একটি ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে। চুক্তিতে কার্যত জয় হয়েছে আজারবাইজানের। কারণ, নাগর্নো-কারাবাখের অধিকাংশ এলাকা এখন আজারি সেনার হাতে। চুক্তিতে স্থির হয়েছে, নাগর্নো-কারাবাখে যে যেখানে অবস্থান করছে, সেই এলাকা তার বলে বিবেচিত হবে। আর্মেনিয়া যেহেতু কার্যত এলাকা থেকে জমি হারিয়েছে, ফলে আজারি বাহিনী বিষয়টিকে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখছে।

অন্য দিকে আর্মেনিয়াতে বিক্ষোভ শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছে দেশের জনতা। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছেন। এই পরিস্থিতিতে আর্মেনিয়া চুক্তি ভেঙে ফের যুদ্ধে নামতে পারে বলে মনে করছে অনেকেই। সেই আশঙ্কা থেকেই বৃহস্পতিবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্মেনিয়াকে সতর্ক করে দিয়েছে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর্মেনিয়া ফের যুদ্ধের চেষ্টা করলে, হামলার চেষ্টা করলে তার ফল তাদের ভুগতে হবে।

বস্তুত, গোড়া থেকেই যুদ্ধে আজারবাইজানকে সমর্থন করছিল তুরস্ক। সরাসরি সেনা এবং যুদ্ধবিমান দিয়েও তারা আজারবাইজানকে সাহায্য করেছে বলে আর্মেনিয়ার অভিযোগ। তুরস্ক সেনা পাঠানোর কথা স্বীকার না করলেও প্রকাশ্যে আজারি ফৌজকে সমর্থন জানিয়েছে। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় তিন দেশের চুক্তির পর রাশিয়া প্রায় দুই হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে নাগর্নো-কারাবাখে। শান্তি বজায় রাখার জন্য। তুরস্ক জানিয়েছে, তারাও সেখানে সেনা পাঠাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য। নাগর্নো-কারাবাখে যাতে আর কোনো যুদ্ধ না হয় তার জন্য তুরস্কও দায়বদ্ধ বলে জানিয়েছেন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সূত্র : ডয়চে ভেলে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •