• ১৮ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১৭ই শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

ব্রিটেনে করোনা ভাইরাস স্থিতিশীলতার পথে

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত নভেম্বর ৮, ২০২০
ব্রিটেনে করোনা ভাইরাস স্থিতিশীলতার পথে

মো: রেজাউল করিম মৃধা: ভয়, আতংক ও দু:ক্ষের মাঝে স্বস্থির খবর।করোনা ভাইরাস মহামারির আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য লক ডাইন দিয়েছে বৃটিশ সরকার। এর মাঝে খুশির খবর দিলেন বৃটেনের করোনা বিষয়ক গবেষকরা। গবেষকদের গবেষনায় উঠে এসেছে ব্রিটেন জুড়ে করোনাভাইরস স্থিতিশীল হতে চলছে। এ খবরে সবার মনে নতুন আশার আলো ফুটে উঠছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি ব্রিটেনের চারপাশে ধীর গতি দেখা যাচ্ছে, অফিস অফ ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকসের সর্বশেষ তথ্য থেকে জানা গেছে।যদিও কোভিড ১৯ আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত হারে বাড়ছে ।তবে সে হারে মৃত্যুর সংখ্যা কম।

৩০শে অক্টোবর থেকে ওএনএস বলছে ইংল্যান্ডে প্রতিদিনের নতুন সংক্রমণ প্রায় ৫০,০০০ স্থিতিশীল হয়।
তার মানে ইংল্যান্ডের প্রতি ৯০ জনের মধ্যে একজনের কাছে কোভিড রয়েছে। ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ডে চিত্রটি কিছুটা কম। সেখানে, ১১০ জনের মধ্যে একজন ভাইরাসটির জন্য ইতিবাচক পরীক্ষা করছে।

উত্তর আয়ারল্যান্ডে এটি ৭৫ এর মধ্যে একটি – এবং বিশেষজ্ঞরা বলেন যে সেখানে হার গুলি বন্ধ হচ্ছে কিনা তা খুব শীঘ্রই বলা যা্বে।

ওএনএসের ডেটা সম্প্রদায়ের কোভিড -১৯ সংক্রমণের দিকে নজর রাখে এবং এটি হাসপাতাল, কেয়ার হোমস থাকে তবে অন্যান্য সেবা মুলক প্রতিষ্ঠানে , প্রাতিষ্ঠানিক সেটিংসে অন্তর্ভুক্ত থাকে না।এই সংস্থা গুলি অন্তরভুক্ত করা জরুরী।সে ক্ষেত্রে করোনা নমুনা সংগ্রহ করতে আরো সহজ হবে।

ওএনএস দেখায়:
১/ গত দুই সপ্তাহ ধরে উত্তর পূর্বকে বাদ দিয়ে ইংল্যান্ডের প্রতিটি অঞ্চলে সংক্রমণের হার বেড়েছে ।
২/ উত্তর পশ্চিম এবং ইয়র্কশায়ার এবং হাম্বারে সর্বাধিক সংক্রমণের হার রয়েছে ।
৩/ লকডাউন যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ অংশের সাথে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন যে আগামী সপ্তাহগুলিতে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা হ্রাস পেতে পারে।

লিভারপুলে, কোভিডের জন্য শহরব্যাপী গণ পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে।সেই সাথে ব্রিটেনের সব শহরেই করোনা পরীক্ষা অব্যহত রয়েছে।

দ্বিতীয় বার জাতীয় লক ডাউনের ফলে মানুষ ঘরে বন্ধি অবস্থায় আছেন। এছাড়া কোন ধরনের জনসংযোগ নেই এ কারনে করোনাভাইরস সংক্রামন হতে পারছে না। সকল জনসাধারন যদি সরকারের নিয়ম ও বিধিনিষেধ মেনে চলে তবে করোনা আক্রমণ থেকে সবাই রক্ষা পাবেন। সংক্রামন স্থিতিশীল হলে আসতে আসতে আক্রান্ত কমে আসবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •