• ৩০শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১লা জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি

এক সাংবাদিকের আর্তনাদ,সব সাংবাদিকের আতঙ্ক

bilatbanglanews.com
প্রকাশিত নভেম্বর ৪, ২০২০
এক সাংবাদিকের আর্তনাদ,সব সাংবাদিকের আতঙ্ক

সাদী মুহাম্মাদ আলোক:নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর সীতাকুণ্ডের কুমিরার একটি খালের পাড় থেকে অজ্ঞান অবস্থায় চট্টগ্রামের সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর প্রায় অচেতন অবস্থায় তিনি আর্তনাদ করে বলছিলেন, ‘আমি আর নিউজ করবো না ভাই প্লিজ… আমি আর নিউজ করবো না ভাই…।’

একজন সাংবাদিকের এই আর্তনাদ কী বার্তা দেয়? চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সূত্রে জানা গেছে, গোলাম সরওয়ার যে তিন দিন নিখোঁজ ছিলেন, ওই তিন দিনই তার মোবাইল খোলা ছিল। কিন্তু, তাও তার খোঁজ পাওয়া গেল না। যখন তাকে ফেলে যাওয়া হলো, তখন পুলিশ উদ্ধার করল। এই যে উদ্ধার করা এবং মোবাইল খোলা থাকা সত্ত্বেও তাকে পাওয়া গেল না, এটাকে কীভাবে দেখছেন? কে বা কারা এই ধরনের কাজগুলো করে বলে মনে করেন? এখানে সরকারের অবস্থানকে কীভাবে দেখছেন?— এসব বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টার কথা বলেছে দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘একজন সাংবাদিকের আর্তনাদটা প্রকাশ পেল। আরও অনেক সাংবাদিক আছেন, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে যারা রিপোর্টই করছেন না। আমার অভিজ্ঞতা থেকে এটা বললাম। গোলাম সরওয়ারের আর্তনাদটা প্রকাশ পেল। মুক্ত সাংবাদিকতার জন্য এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। কারা, কেন এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করছে, তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু, কোনো প্রতিকার তো হচ্ছে না। সাংবাদিক সংগঠনগুলো, ইউনিয়ন নেতারা, তাদের যেভাবে সোচ্চার হওয়ার কথা ছিল, তারা তো হচ্ছেন না। যে কারণে আরও অনেকে সুযোগ নিচ্ছে। আমরা অবাধ ও মুক্ত সাংবাদিকতার কথা বলছি। কিন্তু, যা ঘটছে, তা সম্পূর্ণ এর পরিপন্থি। একজন সাংবাদিকের আর্তনাদ তো এই বার্তাই দেয় যে, আমরা অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে আছি। এই অবস্থা কবে কাটবে জানি না। তবে, চট্টগ্রামের এই সাংবাদিকের আর্তনাদের সঙ্গে আমিও সহমত। যদিও অন্যরা কেউ প্রকাশ করছেন না, তবে এই অবস্থা আরও অনেকের।’

‘যা ঘটল, এর পেছনে সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের একটা ব্যর্থতা রয়েছে। কারণ, আমরা সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারিনি। আবার এটাও ঠিক যে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনেকে নানাভাবে সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার জন্য পরিস্থিতি তৈরি করেন। অনেকে আবার ফেক নিউজও তৈরি করেন। তবে, গোলাম সরওয়ারের যেই আর্তনাদ, সেটা সবাইকেই বিচলিত করেছে। আমাকেও করেছে’, বলেন তিনি।

নিখোঁজ থাকাকালীন সরওয়ারের মোবাইল খোলা থাকার পরেও তাকে উদ্ধার করতে না পারার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি তো এদেশের নাগরিক। আপনি তো জানেন কারা, কীভাবে এটা করে। কারো নলেজে হয়তো ছিলও যে তিনি কোথায় ছিলেন। এটার আর কী বলব। এখন কীভাবে উদ্ধার হলো, এটাও তো একটা রহস্য। তার কাছ থেকেও তো আর হয়তো সত্যটা জানা যাবে না। তিনি তো আর কিছু বলবেনই না, লিখবেনই না বলে বলেছেন।’

কে বা কারা কাজগুলো করে বলে মনে করেন?, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা আর কী বলব। সব তো জানেনই। একটা অদৃশ্য শক্তি এটা করে। যারা খুব শক্তিশালী।’

সাংবাদিক নিখোঁজ হওয়ার পর সরকারের অবস্থানকে কীভাবে দেখছেন?, তিনি বলেন, ‘সরকার তো বলবে, তারা উদ্ধার করেছে। এটা একটা ভালো দিক যে, তাকে পাওয়া গেছে। অনেক সময় তো অনেককে পাওয়াই যায় না। আমি মনে করি, সমাজে এমন শক্তিও আছে, যারা সরকারের চেয়েও বেশি ক্ষমতাশালী। এরা কারা, সেটা তো বুঝতে পারেন। গোলাম সরওয়ারের আর্তনাদের যে খবর আমরা দেখলাম, এখন কে বা কারা তাকে নিয়ে গেছে, সেটা তিনি ছাড়া তো আর কেউ বলতে পারবেন না। যেটা বললাম, একটা অদৃশ্য শক্তি আছে, যেটার কাছে আমরা বন্দি।’

ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, এর জন্য সবার সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ করা উচিত বলে মনে করেন মতিউর রহমান চৌধুরী। ‘একজন সাংবাদিকের পেশা ছাপিয়ে তার জীবন যেখানে হুমকিতে, সেখানে আমরা পেশা নিয়ে কথা বলছি। আসলে এমন পরিস্থিতিতে পুরো পেশাটাই তো হুমকির সম্মুখীন। এ কারণেই আমাদেরকে সম্মিলিতভাবে এর প্রতিবাদ করতে হবে’, যোগ করেন তিনি।

মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘সরওয়ারের এই আর্তনাদটা পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে খুবই করুণ একটা সুর হিসেবে আমার কানে বাজে যে, একজন সাংবাদিককে পেটানো হচ্ছে, আর তিনি বলছেন, “আমি আর নিউজ করব না”। এর মানে কী? পেশাগত কারণেই তাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং পেশাগত কারণেই তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। অর্থাৎ সাংবাদিকতা করতে গেলে নির্যাতিত হতে হয়, অপহৃত হতে হয় এবং একজন সাংবাদিককে করুণ অবস্থার মধ্যে বলতে হয় যে, আমি আর সাংবাদিকতা করব না।’

‘আমরা বলি একটা দেশের সাংবাদিকতা অনিরাপদ দুই ভাবে। একটা হচ্ছে রাষ্ট্র যখন তার বিরুদ্ধে আইনের অপপ্রয়োগ করে, রাষ্ট্র যখন তাকে গ্রেপ্তার করে, রাষ্ট্র যখন গুম-হত্যার বিচার করে না, তখন তিনি অসহায় বোধ করেন। তার পাশাপাশি নন-স্টেট অ্যাক্টর, যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় নেই, রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে, তারাও তাদের স্বার্থের বাইরে গেলে সাংবাদিকদের ওপর চোখ রাঙায়, তাদের গুম করে। সরওয়ারের বেলায় তাই হয়েছে। যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় নেই, তারাই তাকে অপহরণ করেছে, নিউজের কারণে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে’, বলেন তিনি।

সরওয়ারকে যে বা যারাই অপহরণ করুক, এখানে রাষ্ট্রও তার দায়িত্ব এড়াতে পারে না বলে মনে করেন মনজুরুল আহসান বুলবুল। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রকে বের করতে হবে যে, কারা সরওয়ারকে অপহরণ করেছে, নির্যাতন করেছে। কাজেই চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্র বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে এসে যদি যারা সাংবাদিকদের হত্যা, গুম, ধমক, হুমকি দেয়, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করে, তাহলে সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়। আর রাষ্ট্রও বলতে পারে যে, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করেছি যেখানে রাষ্ট্রশক্তি বা রাষ্ট্রশক্তির বাইরে যারাই স্বাধীন-পেশাদার সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের আমরা শাস্তির আওতায় আনব।’

‘আমরা বিচারহীনতার সংস্কৃতির মধ্যে আছি বলে, স্টেট অ্যাক্টররা যখন কিছু করে, তখন যেমন অসহায় বোধ করি, নন-স্টেট অ্যাক্টররা যখন কিছু করে, তখনো অসহায় বোধ করি। কারণ এটারও তো বিচার হয় না। সাগর-রুনিকে কারা হত্যা করেছে, আমরা বিচার করতে পারিনি। স্বাধীন বাংলাদেশের ৫০ বছরে হাতেগোনা দুই-একটা কেস রয়েছে, যেগুলোর অর্ধেক বিচার সম্পন্ন হয়েছে। আর কোনোটারই হয়নি। সরওয়ারের বিষয়ে আমরা ধারণা করতে চাই যে, এটা নন-স্টেট অ্যাক্টরদের কাজ, যারা তার খবরে অসন্তুষ্ট হয়েছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রের প্রতি দাবি জানাতে চাই, যারা সরওয়ারকে অপহরণের মধ্য দিয়ে প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন-পেশাদার সাংবাদিকতাকে ব্যাহত করল, তাদের যত দ্রুত সম্ভব আইনের আওতায় আনা হোক। আমি নিশ্চিত যে, সরওয়ারের এই আর্তনাদের আতঙ্ক সারা দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে ছড়িয়েছে পড়েছে যে, সংবাদ করলে অপহরণ-নির্যাতনের শিকার হতে হবে। তাই রাষ্ট্রকে দৃষ্টান্ত তৈরি করতে হবে’, বলেন তিনি।

নিখোঁজ থাকাকালীন সরওয়ারের মোবাইল খোলা থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরাও এই প্রশ্ন করেছিলাম যে, মোবাইল খোলা এবং সেখান থেকে ফোন আসছে। তাহলে তাকে উদ্ধার করা যাচ্ছে না কেন? আমি জানি না পুলিশের ব্যাখ্যা কী। কিন্তু, এই প্রশ্ন তো উঠবেই যে, তাহলে কি এমন কোনো শক্তির কাছ থেকে ফোন আসছিল যে পুলিশের ধরার বাইরে। অনেকেই অনেক প্রশ্ন করবেন। কোনটা সঠিক আমি জানি না। কিন্তু, যখন মোবাইল খোলা ছিল, তখন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুর্বৃত্তকে ধরাটা খুব সহজ ছিল বলে আমাদের কাছে মনে হয়। এখন যে তাকে উদ্ধার করা হলো, এখানে পুলিশের তো কোনো কৃতিত্ব নেই। যারা অপহরণ করেছিল, তারাই দয়া করে ফেলে দিয়ে গেছে, আর সেখান থেকে সরওয়ারকে নিয়ে আসা হলো। কাজেই পুলিশ হয়তো চেষ্টা করেছে, কিন্তু, তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পেরেছে বলে মনে হয় না।’

সরকারের অবস্থানের বিষয়ে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘এখানে পুলিশের তৎপরতার বিষয়ে প্রশ্ন তো উঠলোই। এখন যেটা করা, যত দ্রুত সম্ভব অপরাধীদের ধরে বিচারের আওতায় আনা। এটাই এখন হবে সরকারে কাজ। যদি সরকার দ্রুত সেটা করতে পারে, তাহলে তাদের আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের কোনো প্রশ্ন থাকবে না।’

একজন সাংবাদিক নিখোঁজের পর সাংবাদিক সংগঠন ও নেতাদের তৎপরতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএফইউজে’র সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘সরওয়ারের নিখোঁজ হওয়ার খবর যখন পাওয়া গেল, তখন ঢাকায় বিএফইউজে’র নির্বাহী পরিষদের সভা চলছিল। সেখানে চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভা চলাকালীনই যখন খবরটা আসল, তখন বিএফইউজে’র পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানানো হলো। সিএমপি কমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে বিএফইউজে’র পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। আর চট্টগ্রামের নেতারা ঢাকা থেকে সেখানে ফিরেই কর্মসূচিতে নেমেছিলেন। তারা সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। কমিশনার বলেছেন, তারা চেষ্টা করছেন। যদিও বড় মাপের কোনো কর্মসূচি ছিল না, তবে, প্রাথমিকভাবে যে কর্মসূচি দেওয়ার কথা, এটা বড় মাপেই দেওয়া হয়েছে। আর দৃশ্যমান কোনো মিটিং-মিছিল হয়নি এক-দুই দিনের মধ্যে। তবে, চট্টগ্রামে হয়েছে। আমি মনে করি যে, প্রাথমিকভাবে এটাই ঠিক ছিল।’

চট্টগ্রামের সাংবাদিক নিখোঁজ হওয়ার পরে সেখানকার স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন ও নেতাদের তেমন কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েক জন সাংবাদিক। এ বিষয়ে সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলী গতকাল বলেন, ‘গোলাম সরওয়ার যেদিন (২৯ অক্টোবর) নিখোঁজ হয়, সেদিন সন্ধ্যায় আমরা বিষয়টি জানতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে থানায় জিডি করা হয়েছে। এরপর সাংবাদিক ইউনিয়ন মাঠে নেমে গেছে। একের পর এক সমাবেশ দিয়েছে। সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচিসহ পর্যায়ক্রমে একেকটা। আজকেও আমাদের কর্মসূচি ছিল।’

তিনি বলেন, ‘সরওয়ার নিখোঁজের দিন তার সহকর্মী সিটিনিউজ বিডির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জুবায়ের সিদ্দিকি থানায় একটি জিডি করেন। পরের দিন আমরা সাংবাদিক ইউনিয়নের বৈঠকে এটা নিয়ে প্রশাসনের সর্বোচ্চ জায়গায় আলোচনা করেছি। আমরা বিএফইউজে’র সভা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের আইজিপি, র‍্যাবের মহাপরিচালককে অবহিত করেছি। পাশাপাশি চট্টগ্রামে আমাদের নেতারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছে। এরপর ৩১ অক্টোবর আমরা সমাবেশ করেছি। ১ নভেম্বর অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি। আমরা আজও বৈঠকে বসেছি আমাদের পরবর্তী করণীয় নিয়ে।’

‘একটা বিষয় বুঝছি না যে, আমাদের কর্মসূচিগুলো নিয়ে কী হয়েছে? আমাদের গ্যাপ কোথায় দেখেছেন? মাঠে তো আমরাই ছিলাম। এখন যে সরওয়ার অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হলো, এখনো আমরা মিটিং করছি। মিটিং থেকেই কথা বলছি’, বলেন তিনি।

কী কারণে সরওয়ারকে অপহরণ করা হলো, তা এখনো জানা গেছে কি না?, জানতে চাইলে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘পুলিশ এটা জানার চেষ্টা করছে। তবে, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, নিউজ সংক্রান্ত কারণেই তাকে অপহরণ করা হয়েছে।’ ধারণা করা হচ্ছে, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে নিউজ করার কারণে তাকে অপহরণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে সিইউজে’র সভাপতি বলেন, ‘নিউজ তো আসলে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধেই হয়। আর এ ধরনের কাজও তো প্রভাবশালীরাই করে। ছোট-খাট মানুষ তো অপহরণ করতে পারে না।’(ডেইলি স্টার)